২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭ইংরেজী

বন্দনা

সশ্রদ্ধ চিত্তে প্রদীপ পূজা করলে কিরূপ ফল লাভ করা যায়?

সশ্রদ্ধ চিত্তে প্রদীপ পূজা করলে কিরূপ ফল লাভ করা যায়? ভগবান বুদ্ধের অতীত জন্মের কাহিনীই জাতক নামে অভিহিত। তিনি বুদ্ধাঙ্কুর অবস্থায় যে অসংখ্য জন্ম পরিগ্রহ করেছেন, তন্মধ্যে বুদ্ধত্ব লাভের প্রার্থনা কাল হতেই আরম্ভ করে যে জন্মসমূহ নিয়েছেন, তৎসমুদয়ই জাতক বলে কথিত হয়। প্রত্যেক জাতক বুদ্ধের দশবিধ পারমীর মধ্যে যে কোন একটা পারমী পূরণেরই অত্যাশ্চার্য জনক ঘটনা বলীতে সমৃদ্ধ। প্রদীপ পূজার ফল সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন নীচের জাতকটি। সুপ্রসন্ন চিত্তে এ…

সীবলী পরিত্রাণের বাংলা

সীবলী পরিত্রাণের বাংলা ১* মহাজ্ঞানী বুদ্ধশিষ্যগণ সকলেই শ্রাবক পারমী পুর্ণ করিয়াছিন।সীবলী ও পারমী গুণতেজ সম্বলিত সেই পরিত্রাণ পাঠ করিতেছি।(বন্ধনী স্থিত বিষয়গুলীর অর্থ সুবোধ্য নহে) সম্ববত সীবলী গুণ প্রকাশক সাংকেতিক শব্দ। ২* সমস্ত স্বভাব ধর্মে চক্ষুষ্মান পদুমুত্তর নামক বুদ্ধ এই হইতে লক্ষকল্প পুর্বে জগতে আবির্ভুত হয়েছিলেন। ৩* সীবলী মহাস্থবির চতুর্ব্বিধ প্রত্যয়দি পাইবার যোগ্য মহাপুরুষ।তিনি দেব-মানবগনের,উত্তম ব্রহ্মাগণের ও নাগসুপর্ণগণের প্রিয়পাত্র ছিলেন।সেই পীণেন্দ্রীয় মহাপুরুষকে আমি নমস্কার করিতেছি। ৪* তিনি দেব-মানবগনের পূজিত,তাহারগুন প্রকাশক “নাসং…

সপ্ত মহাস্থান বিস্তৃতার্থ এবং বন্দনা

সপ্ত মহাস্থান বিস্তৃতার্থ এবং বন্দনা বুদ্ধত্ব লাভের পর বুদ্ধ বোধিবৃক্ষের পাশে সাতটি স্থানে ঊনপঞ্চাশ দিন অবস্থান করেন। সেসময় তিনি কখনো ধ্যানমগ্ন ছিলেন। কখনো পদচারণ করেছেন। কখনো তাঁর উদ্ভাসিত নবধর্ম সম্পর্কে চিন্তা করেছেন। বোধি বৃক্ষের চারিপাশে এ রকম সাতটি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সাতটি স্থানকে সপ্ত মহাস্থান বলা হয়। সেই সপ্ত মহাস্থান হলো- ১) বোধিপালঙ্ক : বুদ্ধ যে আসনে বসে বুদ্ধত্ব লাভ করেছেন তাকে বোধিপালঙ্ক বলা হয়। এই বোধিপালঙ্কই সমস্ত…

পূজা প্রসঙ্গ

পূজা: উৎপন্ন কুশল এবং অনুৎপন্ন কুশল বৃদ্ধি করার জন্য এবং উৎপন্ন ও অনুৎপন্ন অকুশল বর্জনের জন্য আমরা অনেক কিছু করতে পারি। যার মধ্যে একটি হলো পূজা। পূজা হচ্ছে পূজনীয় ব্যক্তির প্রতি সম্মাণ প্রদর্শণ। দান আর পূজায় পার্থক্য হলো সম্মান প্রদর্শনের মধ্যে। আমরা যখন বুদ্ধকে দান দেই তখন শ্রদ্ধা থাকে, সম্মান থাকে কিন্তু ভিক্ষুক, তির্যক প্রানীদের দান দিলে সেই সম্মান আমরা তাদের প্রদর্শণ করি না। তাই সেটি দান হয় পূজা নয়।…

বুদ্ধ ও নিন্দুক

    বুদ্ধ ও নিন্দুক বুদ্ধদেবে নিন্দা করে নির্বোধ এক এসে , বুদ্ধ তখন মধুর সুরে কহেন তারে হেসে। তোমার নিন্দা তোমারি থাক নিলাম না’তো আমি , বন্ধু, আমি নিত্য তোমার রইবো হিতকামী।। ধ্বনির পিছে যেমন ছোটে প্রতিধ্বনি যত , ছায়া যেমন কায়ার পিছে ছুটছে অবিরত, বন্ধু জেনো সদায় যারা অপকর্ম করে, যন্ত্রণা ও তাদের পিছে তেমনি অনুসরে।। সাধুর যারা নিন্দা করে কাটায় তারা দুঃখে , আকাশেতে ফেললে থু থু…

বন্দনা ও সুত্র সমূহ

বন্দনা ও সুত্র সমূহ ভোরে ঘুম থেকে উঠে মুখ হাত ধুঁয়ে প্রথমে বুদ্ধ আসনের পানি, ফুল, মোমবাতি, আগরবাতি, সোয়াং তোলে দিয়ে বন্দনাদি করবেন। সন্ধ্যা সময়ওঅনুরুপভাবে বন্দনাদি করবেন। ত্রিরত্নবন্দনা বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি, অহং সব্বদা। দুতিযম্পি, ততিযম্পি। সকল চৈত্য বন্দনা বন্দামি চেতিযং সব্বং, সব্বট্ঠানেসু পতিট্ঠিতং। সারীরিক ধাতু মহাবোধিং বুদ্ধরুপং সকলং সদা’তি। দন্ত ধাতু বন্দনা একা দাঠ্ াতিদসপুরে, নাগপুরে অহু । একা গা›ধার বিসযে, একাসি পূন সিহলে। চতস্সো তা মহাদাঠা, নিব্বাণ…

বুদ্ধ গাথা এবং অন্যান্য

বুদ্ধ গাথা সমুহ ত্রিশরণ গাথা বুদ্ধের শরণ গত নরকে না যায়, নর লোক পরিহরি দেবলোক পায়। ধর্মের শরণ গত নরকে না যায়, নর লোক পরিহরি দেবলোক পায়। সংঘের শরণ গত নরকে না যায়, নর লোক পরিহরি দেবলোক পায়। ভূধর, কন্দর কিংবা জনহীন বন, শান্তি হেতু লয় লোকেসহস্র শরণ। ত্রিরতœ শরণ কিন্তু সর্ব দুঃখ ক্ষয়, লভিতে ইহারে সদা হও অগ্রসর। বুদ্ধের সপ্তবার গাথা গুরুবারে বুদ্ধাংকু মাতৃগর্ভে এল, শুক্রবারে শুভলগ্নে ভূমিষ্ঠ হইল। সোমবারে…