২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৯ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ইংরেজী

দৃষ্টিকোণ

বড়ুয়া বৌদ্ধদের এত সংগঠন কেন?

বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। তার মধ্যে প্রায় চৌদ্ধ কেটি জনগণ, এরই মধ্যে আমাদের বসবাস। অন্যান্য ধর্মের লোকও আছে, তার মধ্যে বৌদ্ধ সম্পদ্রায় আছে একেবারে কম। আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু। তবে বিশ্বে আমরা সংখ্যাগরিষ্ট। পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েকটি উপজাতি সম্পদ্রায়ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী আছে। তার মধ্যে চাকমা, মারমা, রাখাইন। মূল কথায় চলে আসি, যে বিষয়ে লিখতে যাচ্ছি, বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায় কম তার মধ্যে বড়–য়ারা সংখ্যায় কম হলেও তাদের সংগঠন আছে অনেক। দেশে বেশির…

প্রচলিত সামাজিক ধারাবাহিকতায় বর্তমান আমাদের মানসিকতার ভূমিকা

আবহমান গ্রাম বাংলায় কিছু সামাজিক রীতি নীতির প্রচলন রয়েছে। তন্মধ্যে পানমিঠা, পানসলা বিয়ে অন্যতম। নবাগত অতিথি, নববধু, আর বরকে পান মিঠার বরণ ঢাকা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। বিশেষ করে শ্যাল-শ্যালিকা, পিতামহ-পিতামহী, মাতামহ-মাতামহী, বেয়াই-বেহান, ভগিনপতি, নাতবৌ-নাতনী জামাই, বৌদি, দেবর-ননদ, একসাথে বসে পানমিঠা খাওয়ানোটা কে অতি আনন্দকায়ক অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানটি অঞ্চল বা গ্রামভেদে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রচলিত। ত্রিশ বছরাধিক পূর্বে শ্খনদের দক্ষিণে লোহাগাড়া উপজেলাস্থ আধুনগর গ্রামে এক বন্ধুর সাথে আমরা আরো দু’জন বিয়ের…

বৌদ্ধ যুব সমাজ কেন ধর্ম বিমুখ

“শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড” শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতস্তরে উত্তীর্ণ হতে পারে না। ইহ জীবনে শান্তি ও সুন্দর জীবন যাপনের জন্য অবশ্যই শিক্ষার প্রয়োজন। ঠিক তেমনিভাবে এই “দুঃখ” অতিক্রম করে বিমুক্তি লাভ করতে হলে, প্রথমে প্রয়োজন ধর্মীয় শিক্ষা। ধর্মীয় শিক্ষা না থাকলে সাংসারিক জীবনে কোন দিন সুখ-শান্তি আসবে না। তৎকালীন সময়ে মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ ডিগ্রীধারী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিল হাতে গোনা কয়েকজন। স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল খুবই কম। তখনকার ছেলে-মেয়েরা বহু দূরে…