২৫৬২ বুদ্ধাব্দ ১০ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ইংরেজী
Clear

21°C

Chittagong

Clear

Humidity: 95%

Wind: 11.27 km/h

  • 22 Feb 2018

    Sunny 30°C 16°C

  • 23 Feb 2018

    Mostly Sunny 30°C 17°C

  • সেই খানেরই গলদ, যেখানে সততা নেই। টাকা পয়সার দিকে নজর দিলে কাজের নেশা নষ্ঠ হয়ে যায়। টাকা পয়সা বড় কথা নয়, কাজ চাই।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

  • আমাদের সমাজে যে এখনো কোন বড় কোন প্রতিভার জন্ম সম্ভব হচ্ছে না, তার কারণ পরশ্রীকাতরতা। আমরা গুণের কদর করি খুব কম। কিন্তু মন্দটাকে সগর্বে প্রচার করে বেড়াতে পারি।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • যুদ্ধ সভ্যতাকে ধ্বংস করে এবং শান্তি বিশ্বকে সুন্দর করে । যুদ্ধ মানুষকে অমানুষ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ ছিনিয়ে নেয় প্রেম-ভালবাসা এবং যুদ্ধের আগুনে আত্নহুতি দিতে হয় বহু প্রাণের । যুদ্ধকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা উচিৎ।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • আপনি যেমন মহৎ চিন্তা করেন কাজেও সেইরুপ হউন, আপনার কথাকে কাজের সাথে এবং কাজকে কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলুন।
    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

নারী মুক্তি সুদূর পরাহত কেন?

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:৪৯ ইলা মুৎসুদ্দী

নারী মুক্তি সুদূর পরাহত কেন?

বাস্তবতার নিরিখে কিছু কথা লিখতে ইচ্ছে করছে। অনেক কিছু পর্যবেক্ষন করে দেখলাম নারী মুক্তি সূদুর পরাহত। কিন্তু কেন? কারণ আমাদের সমাজে দেখা যায় একটি মেয়ে যখন কিশোরী কিংবা তরুণী তখন সেই মেয়ে যদি একটি ধ্যান কোর্সে অংশগ্রহণ করতে চায়, তাহলে কোন পরিবার কিংবা মাতা-পিতা সহজে রাজী হন না। খুব কম সংখ্যক মেয়েই পুণ্যের প্রভাবে কুশলকর্মসমূহ সম্পাদন করতে পারে। আবার প্রতিদিন বিহারে যেতে অসুবিধা যেহেতু মেয়ে। অনেকে দেখা যায় বাসার পাশে বিহার হলে ও সামাজিক কিংবা পারিবারিক বাধার কারণে যেতে পারে না। ধর্মদেশনা শ্রবণ করতে পারে না। বলা হয়ে থাকে মেয়েরা ধর্ম কর্ম বেশী করে। আসলে কি তাই? কাউকে কটাক্ষ বা ছোট করে বলছি না, মেয়েদের শুধুমাত্র ঘন্টাখানেকের জন্য বিহারে বা যে কোন ধর্মানুষ্ঠানে যেতে দেয়া হয় মাত্র। মাত্র বলছি এই কারণে, যখনি ঘরের বউ প্রতিদিন বিহারে গিয়ে (যদি কাছে বিহার থাকে) একটু ধ্যানে বসতে চায়, বা ভান্তের মুখনিসৃত দেশনা শুনতে যেতে চায়, তখন কিন্তু সংসারের সব কাজ তার জন্য হা করে থাকে। কেন থাকে? 

কারণ মহিলাটি সংসার ছেড়ে বিহারে গিয়ে একটু ধ্যান করবে, পঞ্চশীল নিবে, অষ্টশীল নিবে---এটাতো কাম্য হতে পারে না। কারণ ঘরের বউ, আবার মেয়ে মানুষ বলে কথা। হয়তো অনেকেই বলবেন ঘরে ধর্ম করলেই তো হয়, বিহারে যাবার দরকার কি? বিহারে যাবার দরকার এজন্য যে, আমি দেখেছি বিহারের উঠোনে যাবার সাথে সাথেই মনের মধ্যে একটা মৈত্রী আর শান্তির পরশ এসে যায়। চঞ্চল মন অনেকটাই স্থির হয়ে যায় বিহারে গেলে। বিহারে কোলাহলবিহীন পরিবেশে যেভাবে ধ্যানে মনোযোগ, একাগ্রতা আসে বাসায় সেভাবে পারা যায় না। বাসায় যখনি বসতে যাবে তখনি হয়তো কলিংবেল বেজে উঠবে, নতুবা কাউকে চা দিতে হবে নতুবা বাজার আসবে তা সামলাতে হবে। এসব কিন্তু একদম সত্যি। পুরুষরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকে বলেই মেয়েরা ধর্মানুষ্ঠানে বেশী যায়। বেশী গেলেই ধর্ম হয় না। ধর্মকে ধারণ করতে হবে, আচরণ করতে হবে। কিন্তু মেয়েরা সেই সুযোগটা পাচ্ছে না।

তবু আমরা অনেক ভাগ্যবান এবং পুণ্যবান কেননা বর্তমান সময়ে এসে আমরা শ্রামণী সংঘ পেয়েছি। এটা নারী মুক্তির জন্য দুর্লভ সুযোগ হলে ও আমরা কিন্তু সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কেন? আমাদের সমাজে এখনো শ্রামণী সংঘকে মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরী হয়নি তাই। অনেকেই এর বিপক্ষে অনেক কিছুই বলছেন। কে কী বলছে সেটা বড় কথা নয়। তবে ধর্মকে সঠিকভাবে অনুধাবন করাই হচ্ছে বড় কথা। আমি জানি অনেক মেয়ে শ্রামণী হবার জন্য মনে মনে সংকল্পবদ্ধ কিন্তু পারিবারিক কারণে তারা যেতে পারছে না অর্থাৎ শ্রামনী হতে পারছে না। তবে আমার মতে, যদি ছেলেরা ১ সপ্তাহের জন্য শ্রমণ হতে পারে তবে মেয়েদের এক সপ্তাহের জন্য কিংবা ১৫ দিনের জন্য শ্রামণী করালে অসুবিধা কি? সে তো আর চিরকালের জন্য চলে যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে ভাবি, আমাদের পূজনীয়া শ্রামণী প্রধান অতীত জন্মে সত্যিই খুবই কুশল কর্ম সম্পাদন করেছিলেন বলেই বাংলাদেশের মতো প্রতিকূল পরিবেশে থেকে নারী জাগরণের অগ্রদূত, নারীদের ধর্মীয়ভাবে সম্যক পথে চলার অগ্রনায়িকা হিসাবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। সেদিন প্রকৌশলী পুলক বড়ুয়া (দাদা) সুন্দর গ্রহণযোগ্য একটি প্রস্তাব করেছেন। সাধুবাদ জানাই আন্তরিকতার সহিত উনার সুন্দর গঠনমূলক, বাস্তবধর্মী চেতনার জন্য।

আশা করব খুব শীঘ্র্ই সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিবে। মেয়ের অভিভাবকদের বলব, যদি আপনার মেয়ে চায়, তাহলে তাকে এক সপ্তাহ বা ১৫ দিনের জন্য শ্রামণী করিয়ে দিন। দেখবেন আপনার মেয়ের জীবন পাল্টে যাবে। সে হবে ধীর স্থির, শান্ত, অচঞ্চল। তার ধর্মের আলোয় আপনি ও আলোকিত হবেন একদিন। তাকে নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তা করতে হবে না। আপনারা যদি সুযোগ না দেন তাহলে নারীদের দুঃখ থেকে মুক্তি কিভাবে হবে? বুদ্ধের সময়ে পিতা-মাতারা মেয়েদের জিজ্ঞেস করতেন ভিক্ষুণী সংঘে প্রবেশের ইচ্ছা আছে কিনা? থেরীগাথায় উল্লেখ আছে – যে সমস্ত ভিক্ষুণী আজ বৌদ্ধসমাজে স্মরণীয় হয়ে আছেন তাদের পিছনে রয়েছে পরিবারের সর্বাত্মক সহযোগিতা। পরিশেষে বলি ---- ধর্ম যার মধ্যে থাকবে তাকে কেউ কিছু করতে পারবে না। কারণ ধর্মই তাকে রক্ষা করবে সর্বদা। সকলের মংগল কামনা করছি।

Courtesy Soshanvumi Meditation Practiciing Center.Karaiyanagor

Nirvana Peace Foundation

নির্বাণা কার্যক্রম
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্নশিশু কিশোরদের… ( বিস্তারিত )
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন শিশু কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা… ( বিস্তারিত )
Image
পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের… ( বিস্তারিত )
আরও
সংবাদ সমীক্ষা
আরও