২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ইংরেজী
Partly Cloudy

17°C

Chittagong

Partly Cloudy

Humidity: 92%

Wind: 17.70 km/h

  • 17 Dec 2017

    Partly Cloudy 26°C 15°C

  • 18 Dec 2017

    Sunny 26°C 15°C

  • সেই খানেরই গলদ, যেখানে সততা নেই। টাকা পয়সার দিকে নজর দিলে কাজের নেশা নষ্ঠ হয়ে যায়। টাকা পয়সা বড় কথা নয়, কাজ চাই।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

  • আমাদের সমাজে যে এখনো কোন বড় কোন প্রতিভার জন্ম সম্ভব হচ্ছে না, তার কারণ পরশ্রীকাতরতা। আমরা গুণের কদর করি খুব কম। কিন্তু মন্দটাকে সগর্বে প্রচার করে বেড়াতে পারি।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • যুদ্ধ সভ্যতাকে ধ্বংস করে এবং শান্তি বিশ্বকে সুন্দর করে । যুদ্ধ মানুষকে অমানুষ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ ছিনিয়ে নেয় প্রেম-ভালবাসা এবং যুদ্ধের আগুনে আত্নহুতি দিতে হয় বহু প্রাণের । যুদ্ধকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা উচিৎ।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • আপনি যেমন মহৎ চিন্তা করেন কাজেও সেইরুপ হউন, আপনার কথাকে কাজের সাথে এবং কাজকে কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলুন।
    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

এবারের দুঃখপূর্ণ মধুপূর্ণিমা সুখের বার্তা নিয়ে আসুক

সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:২২ উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু

এবারের দুঃখপূর্ণ মধুপূর্ণিমা সুখের বার্তা নিয়ে আসুক

আমরা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীরা মধু পূর্ণিমাকে সাড়ম্বরে বরণ করে নিলেও অনেকেই জানিনা কি দুঃখময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুদ্ধ ভিক্ষুসংঘদের ছেড়ে একাকী পারিল্যেয় বনে চলে গিয়েছিলেন, আর সেখানেই উৎপত্তি হয়েছিল এই মধু পূর্ণিমার। আজ আবার যেন সেই ক্রান্তিকাল ফিরে এসেছে। বঙ্গীয় ভিক্ষুসংঘরা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন। এক পক্ষ আরেক পক্ষের সাথে বসে খেতেও পারবেন না, ধর্মসভা করা তো দুরে থাক। চলুন বুদ্ধের সময়ে ফিরে যাই প্রথমে।জেনে নিই কি হয়েছিল তখন।

কৌশাম্বী সূত্রে দেখা যায়- বুদ্ধ কৌশাম্বী অবস্থানকালে জনৈক ভিক্ষুর শৌচাগারের ব্যবহৃত পানি রাখার পাত্রে ঢাকনা দেওয়া হয়নি বলে একটা আপত্তি বা দোষ নিয়ে ভিক্ষুসংঘরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। কিছু বিনয়ধর ভিক্ষু এটাকে দোষ মনে করে তাঁর শাস্তিবিধান করার কথা বললেন অন্যদিকে কিছু অভিধর্ম বিশারদ ভিক্ষু বললেন যে, এটা অজান্তে হয়েছে তাই ক্ষমার যোগ্য। যাঁর কারণে এ ঘটনা ঘটল সেই ভিক্ষু ছিলেন বহুশ্রুত, শাস্ত্রবিদ, ধর্মধর, বিনয়ধর, বিদ্বান, বুদ্ধিমান, শীলবান ও শিক্ষানুরাগী। তাঁর এই বিষয় নিয়ে ভিক্ষুসংঘের মধ্যে বিভক্তির খবর তথাগত বুদ্ধের নিকট গিয়ে পৌঁছাল। তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের এই বিবাদ নিষ্পত্তি করতে চাইলেন। বুদ্ধ উভয়পক্ষকে উপদেশ দিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করলেন বটে, কিন্তু কোন সুফল হল না। ভিক্ষুগণ তাঁর উপদেশে কর্ণপাত না করে বিভক্তই রয়ে গেলেন। তাঁদের সকল অনুষ্ঠান আলাদা চলতে লাগল। বুদ্ধ পুনরায় তাদের বললেন- হে ভিক্ষুগণ, অনর্থক কলহে লিপ্ত হয়োনা, বিবাদ করোনা। বুদ্ধ বললেন- আমরা যে প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছি, তা কলহপর মূর্খ ব্যক্তিগণ বুঝতে পারে না; যারা এ কথা বুঝতে পারে, তাদের কলহ-বিগ্রহ চিরতরে থেমে যায়।
অস্থিছেদক প্রাণনাশক ধনহর রাষ্ট্র লুন্ঠনকারীদের মধ্যেও মিলন হয়, তোমাদের মধ্যে তা হবে না কেন?

 

যদি সৎসঙ্গরত জ্ঞানী ধার্মিক ধীর ব্যক্তির সাহচর্য লাভ হয়, তবে সমস্ত বিঘ্ন অতিক্রম করে হৃষ্টমনে অবহিত চিত্তে তাঁর অনুসরণ করবে। যদি এতাদৃশ বন্ধু লাভ না হয়, বিজিতরাজ্যত্যাগী রাজা অথবা বনচর হস্তীরাজের মত একাকী বিচরণ করবে, এরকম একা থাকা ভাল, নির্বোধের সঙ্গে একত্রে বাস বিধেয় নয়; হস্তীরাজের মত একা থাকবে, পাপবিরত ও অনাসক্ত হবে। এরকম দেশনা করার পরও তাদের মিলন ঘটাতে না পেরে হস্তীরাজের ন্যায় কৌশাম্বী ত্যাগ করে ‘পারিল্যেয় বন’ এ চলে গেলেন। কথিত আছে, সে সময় এক বনচারী হস্তী বুদ্ধকে নানাভাবে সেবা করেন। বানর মধু দান করেন। বানরের মধু দানের এই দিনটিকে আমরা মধু পূর্ণিমা নামে পালন করি।

এদিকে ভিক্ষুদের কলহ-বিবাদে বিরক্ত হয়ে বুদ্ধ যে অরণ্যে গমন করেছিলেন তা কারো অজানা রইল না। কলহলিপ্ত ভিক্ষুদের এই দুষ্কৃতি কৌশাম্বির ঘরে ঘরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল। লোকেরা বলতে লাগল- এই ভিক্ষুগণ কতই না অনর্থকারী, এদের জ্বালায় ভগবান বনে গিয়েছেন; এদের অভিবাদন করবনা, এরা বুঝবেন কলহের ফল। কয়েকদিনের মধ্যেই এ আলোচনার ফল দেখা দিল। গৃহস্থগণ ভিক্ষুদের সাথে আলাপ পর্যন্ত বন্ধ করলেন। ভিক্ষুগণ ভিক্ষাপাত্র নিয়ে সারা কৌশাম্বী ঘুরেও এক মুষ্টি ভিক্ষা পেলেন না। ক্ষুধায় তাদের প্রাণ যায় যায় হল। তারা বুঝলেন তাদের ভুল, অনুতপ্ত হলেন। ভিক্ষুসংঘরা তথাগতকে ফিরিয়ে আনলেন।

যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম বহুপূর্ব থেকে চলে আসা ভিক্ষুসংঘের নিকায়ভেদ বর্তমান সময়ে অনেকাংশেই কমে এসেছিল। কিন্তু এই মধু পূর্ণিমার পূর্বাহ্নে আবার যেন সেই বিভাজন বড় করে দেখা দিয়েছে। কার দোষ কোন পক্ষের দোষ সেটা না বলে আমরা বলতে চাই পূজ্য সংঘরাজ ও সংঘনা্য়ক আপনারা সংঘের মিলনের স্বার্থে একত্রিত হোন, সমাধান বের করুন আর বৌদ্ধ সমাজকে বৃহ্ত্তর কল্যাণে একত্রিত করুন।এবারের দুঃখপূর্ণ মধুপূর্ণিমা সুখের বার্তা নিয়ে আসুক এই কামনা, প্রার্থনাই করি।

Source: Soshanvumi Meditation Practiciing Center.Karaiyanagor

Nirvana Peace Foundation

নির্বাণা কার্যক্রম
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্নশিশু কিশোরদের… ( বিস্তারিত )
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন শিশু কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা… ( বিস্তারিত )
Image
পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের… ( বিস্তারিত )
আরও
সংবাদ সমীক্ষা
Image
সাহিত্যিক সাংবাদিক বিমলেন্দু বড়ুয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী ২২ জানুয়ারি সাহিত্যিক সাংবাদিক বিমলেন্দু বড়ুয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী ২২… ( বিস্তারিত )
আরও