২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ রবিবার, ২৮ মে ২০১৭ইংরেজী
বুধবার, 06 এপ্রিল 2016 13:59

মৌলবাদ,অসাম্প্রদায়িকতা এবং বুদ্ধ পূজা বিষয়ে সত্যানুসন্ধান

লিখেছেনঃ অমিতানন্দ ভিক্ষু, ইন্টারন্যাশনাল বুড্ডিস্ট কলেজ, থাইল্যান্ড

মৌলবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা এবং বুদ্ধ পূজা বিষয়ে সত্যানুসন্ধান

"ধার্মিকতা (Religiousness) জাতিকে উন্নত করে কিন্তু ধর্মান্ধতা (Bigotry) জাতিকে ধ্বংস করে। অসাম্প্রদায়িকতা (Cosmopolitanism) মানে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, পরমত সহিষ্ণুতা। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ধর্মহীনতা (Impiety)। অসাম্প্রদায়িকতার তকমা গায়ে লাগিয়ে ধর্মহীনতা থাকার মধ্যে গৌরবের কিছু নেই।"

অদিতি বড়ুয়া শম্পার বুদ্ধ পূজা বিষয়ক বক্তৃতা নিয়ে আমার কিছু বক্তব্য

শম্পা বড়ুয়া অদিতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী সম্প্রতি চট্টগ্রাম শহরের বৌদ্ধধর্ম বিষয়ের এক মুক্ত আলোচনা সভায় নিজের কিছু মতামত ব্যাখ্যা করেন। বৌদ্ধ সমাজে প্রচলিত কিছু প্রথাকে তিনি সাহসের সাথে উল্লেখ করেন। বৌদ্ধ সমাজে প্রচলিত বুদ্ধ পূজা, সত্য বুদ্ধ, বুড়ো গোসাই, বুদ্ধ ভাষিত সূত্র পালিতে পাঠ করা, নারীর অধিকার নিয়ে তার মতামত আমি ৪ই এপ্রিল ২০১৬ দি বুড্ডিস্ট টাইমেস এর ওয়ালে ফেসবুকের মাধ্যমে দেখি। ওনার বক্তব্যর উদ্দেশ্য যদিও সামাজিক কিছু পরিবর্তনের জন্য, কিন্তু আমি উক্তির মাঝে কিছু ভুল ভ্রান্তি (আমার দৃষ্টিতে) আমার চোখে পড়েছে। যদিও আমি কাউকে শোধরানোর কিংবা ওনার বক্তব্যর মধ্যে পাঁচফোড়ন হয়ে আসিনি, শুধুমাত্র ওনার বক্তব্যকে শুদ্ধ করে বৌদ্ধ সমাজের সামনে উপস্থাপন করতে এসেছি যাতে বৌদ্ধ সমাজ ওনার বক্তব্য শুনে কেউ যাতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ভুল পথে পরিচালিত না হন।

১। ওনার প্রথম বক্তব্য ছিল “বৌদ্ধ ধর্ম স্বাধীনতার ধর্ম ছিল কিন্তু এখন মৌলবাদীর ধর্ম হয়ে গেছে”। এ উক্তিটি করার পূর্বে ওনার উচিত ছিল পারিপার্শ্বিক অবস্থান বিবেচনা করা। উনি যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তাহলে নিশ্চয়ই ওনার হিন্দু বা মুসলিম নারী বন্ধু আছেন, যাদের বোরকা পড়ে মুখ ঢেকে ক্লাসে আসতে হয়। হিন্দু মেয়েদের কথা যদি বলি, তাহলে কিভাবে তারা জাত প্রথার মধ্যে আটকে আছেন। কিন্তু শম্পা বড়ুয়া অদিতি এখনো এসব সমস্যার সম্মুখীন হননি। তিনি নির্দ্বিধায় কোন বোরকা পড়া কিংবা জাত বর্ণের উপরে থেকে তিনি বৌদ্ধ এই পরিচয় নিয়ে ক্লাসে কিংবা বাইরে চলাচল করছেন। কারণ বৌদ্ধ ধর্ম আড়াই হাজার বছর আগে যেমনটি ছিল, বর্তমানেও তেমনটি আছে। শুধুমাত্র আমাদের চর্চার অভাব হচ্ছে। বৌদ্ধ ধর্ম কোন সংস্কারবাদ ধর্ম হয়ে আসেনি, বুদ্ধ যে সমাজে জন্ম নিয়েছিলেন সেখানে ব্রাহ্মণ সমাজের প্রভাব ছিল। ধর্ম প্রচার এবং জনগণকে ভুল পথ থেকে সঠিক পথে আনার জন্য বুদ্ধকে বিভিন্ন সময় ব্রাহ্মণ সমাজের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হয়েছিল যেমন উঁচু নিচু জাত প্রথা, পশুবলি, যাগযজ্ঞ। এক্ষেত্রে বুদ্ধকে সমাজের কিছু নিয়ম সংস্কার করতে হয়েছিল। কিন্তু তিনি সংস্কার বাদী নন, কারণ ব্রাহ্মণ সমাজের বিষয় নিয়ে তিনি ছিলেন না। বুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল জগতে সত্য প্রতিষ্ঠা করা, যা চির দুঃখ মুক্তি বা নির্বাণ প্রদায়ী ধর্ম।

 

২। তাছাড়া উনি আরও বলেছেন, “ওনাদের মত যুবক যুবতীরা বৌদ্ধ ধর্ম আর গ্রহণ করতে পারছেন না কারণ বৌদ্ধ ধর্মে স্বাধীনতার চেয়ে পরাধীনতা বেড়ে গেছে”। বৌদ্ধ ধর্মের মত স্বাধীনতা আমার মতে উনি অন্য কোথাও খুঁজে পাবেন না, যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিচার করি। (১ নং বক্তব্যর উত্তর দ্রষ্টব্য) । তিনি এক্ষেত্রে নিজ ধর্মকে ভুল বুঝছেন এবং অন্যকেও ভুল বোঝাচ্ছেন, এতে করে ধর্মান্তরিত হবার হার বাড়ছে এবং ভবিষ্যতেও বাড়বে।

৩। উনি বলেছেন “বুদ্ধ পূজা হল কুসংস্কার এবং অপচয়”। আমার মতে বুদ্ধ পূজা হল শ্রদ্ধাবান দায়ক দায়িকা এবং উপাসক উপাসিকাদের শ্রদ্ধার ফল। কেউ যদি মন থেকে একটি পুষ্পও বুদ্ধ মূর্তিকে মুহূর্তের জন্য জীবন্ত বুদ্ধ মনে করে দান করেন, তার যে জন্ম জন্মান্তরের পুণ্যফল প্রাপ্ত হন তা আমরা জাতক সহ বিভিন্ন থের থেরীর জীবনী থেকে পাই। যেমন- কোসাতকী দেবধীতা একজন দরিদ্র উপাসিকা ছিলেন এবং যিনি মাত্র চারটি ফুল একটি চৈত্য জাদিতে দান করে মৃত্যুর পর দেবরাজ ইন্দ্রের ইন্দ্রপরিষদে জন্ম নেন দেবী হিসেবে। (মহামঙ্গল, আনন্দমিত্র মহাথের কর্তৃক লিখিত ৫৫ নং পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য)। বুদ্ধ বলেছেন, “ক্ষেত্র ভেদে দানের তারতম্য রয়েছে”। কেউ যদি স্রোতাপত্তি ফললাভী কোন ব্যক্তি বা ভিক্ষুকে দান করেন তার বহুধ পুণ্য সঞ্চয় হয়। তার চেয়েও বেশি পুণ্য হবে কেউ যদি সকৃদাফললাভী কোন ব্যক্তি বা ভিক্ষুকে দান করেন। তার চেয়েও বেশি পুণ্য হবে কেউ যদি অনাগামীফল লাভী কোন ব্যক্তিকে দান করেন। তার চেয়েও মহাপুণ্যক্ষেত্র কেউ যদি অরহত ব্যক্তিকে দান করেন। তার চেয়েও বেশি পুণ্য হবে কেউ যদি পচ্চেক বুদ্ধকে দান করেন। এবং সর্বশেষ মহা পুণ্যক্ষেত্র কেউ যদি সম্যক সম্বুদ্ধকে দান করেন। তাহলে বুদ্ধমূর্তি সম্যক সম্বুদ্ধের প্রতিমূর্তি। বুদ্ধের অবর্তমানে বুদ্ধের ধর্মকে পালনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বুদ্ধকে দান করছি এ কামনা নিয়ে পূজা দিয়ে তৃপ্তি পান, তাহলে তাদের এ তৃপ্তি নষ্ট করে কেন আমরা ধর্মের মধ্যে তিক্ততা ছড়াচ্ছি?

আমি থাইল্যান্ডে দেখেছি বুদ্ধকে আহার দান করার কিছুক্ষণ পর দায়ক দায়িকা অত্যন্ত আনন্দ চিত্তে বুদ্ধের উচ্ছিষ্ট ভক্ষন করছেন মনে করে আহার করেন। এতে তারা অত্যন্ত তৃপ্তি পান। উনি যে গরীব দুঃখীকে অন্ন দান করতে চাইছেন এটা অত্যন্ত পুণ্য কাজ। তিনি চাইলে বুদ্ধের উদ্দেশে প্রদান করা আহার আবার গরীব দুঃখীকেও দান করতে পারেন, এতে কোন অপরাধ বা পাপ হবে না। তাছাড়া বিহারে অনেক তির্যক প্রাণী আছে যেমন কুকুর বিড়াল, তারা বুদ্ধ পূজার আহার ভক্ষন করে জীবনধারণ করছে। এসব অসহায় তির্যক প্রাণীকে দান করাও মহা পুণ্য। যেমন, বুদ্ধের সময়কালে এক অরহত ভিক্ষু খাবার ভক্ষন করার পর একটি ক্ষুধার্ত কুকুর দেখতে পান। হাতের কাছে কুকুরটির জন্য কোন খাবার দিতে না পেরে নিজে যে আহার ভক্ষন করেছেন তা মুখে হাত ঢুকিয়ে বমি করে কুকুরটিকে খেতে দিয়ে জীবন বাঁচিয়েছিলেন। সুতরাং বুদ্ধ পূজা অপচয় বা কুসংস্কার বলে অন্যর শ্রদ্ধা পথে বাধা হবেন না, এতে আপনার পাপ হবে এবং আপনি নরকগামী হবেন এমনকি জন্ম জন্মান্তর খাদ্য লাভ থেকে বঞ্চিতও হতে পারেন। যেমন রাজগৃহে মিথ্যাদৃষ্টি সম্পন্ন এক নারী ছিল। সে যেমন মিথ্যাদৃষ্টি সম্পন্ন ছিল, তেমনি অন্যান্যদেরও সে পথে পরিচালিত করত। মৃত্যুর পর সে নারী ভীষণ বিরুপা ও দুর্গন্ধদেহ বিশিষ্ট প্রেত্নী হয়েছিল। চলবার সময় তীক্ষ্ণ ঠোঁটবিশিষ্ট কাক পক্ষীরা তাকে আহত করত। (সদ্ধর্ম রত্ন চৈত্য, জিনবংশ মহাস্থবির কর্তৃক লিখিত ২৪২ নং পৃষ্ঠা)।

৪। সত্য বুদ্ধ, বুড়া গোসাই প্রসঙ্গঃ সত্য বুদ্ধ কিংবা বুড়া গোসাই কোনটিই গৌতম বুদ্ধের বাইরে নয়, প্রত্যেকটিই গৌতম বুদ্ধের প্রতিমূর্তি, এসব বুদ্ধমূর্তির পেছনে কিছু কাহিনী বা লোককথা জড়িয়ে রয়েছে, যদিও সত্য কি মিথ্যা জানি না। যেহেতু আমরা জানি না সত্যি কি মিথ্যা, অতএব এ ক্ষেত্রে আমাদের মন্তব্য না করাই শ্রেয়। তাছাড়া বুদ্ধ সপ্ত অপরিহানিয় ধর্মে বলেছেন পুরনো সুনীতির উচ্ছেদ না করতে। বুদ্ধ পূজা ভালো নীতি বা সুনীতির অন্যতম, যেহেতু এতে কারো ক্ষতি হচ্ছে না। যে কাজ দ্বারা কারো ক্ষতি না হয়ে বরং মানসিক, পারস্পারিক বা সামাজিক উন্নতি সাধন হয় তাই সুনীতি। তাহলে কেউ যদি বুড়া গোসাই কিংবা সত্য বুদ্ধের পূজা কিঞ্চিৎ শ্রদ্ধা আনয়ন করে পূজা করতে পারে, তাহলে সেখানে আমরা কেন যেচে শ্রদ্ধার বিষফোঁড়া হচ্ছি!

৫। তিনি বলেছেন, “অর্থ ছাড়া সূত্র শ্রবণের কোন মূল্য নাই”। কিন্তু মহাসতিপটঠান সূত্রে বলা হয়েছে যদি কোন তির্যক প্রাণী এই সূত্র শ্রবণে মৃত্যুবরণ করতে, মৃত্যুরপর এই সত্ত্বগণ অবশ্যই সুগতি প্রাপ্ত হবেন। কারণ অর্থ না বুঝলেও শ্রদ্ধা জনিত পুণ্য সুগতি লাভে সাহায্য করে। যেমন বুদ্ধ মহামঙ্গল সূত্র দেশনা করেছেন যে কিভাবে সমাজে মঙ্গল হবে। অনেকেই অর্থ না জেনে এই সূত্র যারা শ্রদ্ধা চিত্তে শ্রবণ করেন তাদের শ্রদ্ধা জনিত পুণ্য হবে আর যারা অর্থ বুঝে শ্রদ্ধা চিত্তে শ্রবণ করবেন তাদের শ্রদ্ধা জনিত পুণ্য আর সামাজিক মঙ্গল দুই হবে। কারণ সূত্রসমূহ হল বুদ্ধের মুখনিঃসৃত বাণী। অর্থ না বুঝলেও বুদ্ধের প্রতি বিশ্বাস রেখে শ্রদ্ধা চিত্তে শ্রবণ শ্রদ্ধা জনিত পুণ্য সুগতি লাভে সাহায্য করবে। তবে সূত্রের সাথে সাথে সূত্রের বাংলা অর্থ শিখতে পারাটা অত্যন্ত ভালো, কারণ শুধুমাত্র টিয়া পাখির ন্যায় মুখস্থ না করে অর্থ জানাটাও জরুরী যতদূর সম্ভব।
তাছাড়া উনি যে জাপানের উপমা দিলেন তা যদি সত্যিকার ভাবে হয় তা অত্যন্ত সাধুবাদের যোগ্য। কিন্তু আমি যতদূর জানি জাপানি ভিক্ষুগণ বিবাহ করেন, ঘর সংসার করেন, যে দেশের বৌদ্ধ ধর্মের এই অবস্থা, সেখান থেকে ধর্মের উপমা না দিলেই কি ভালো হত না? তাছাড়া জাপানে বৌদ্ধদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে এবং খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী বাড়ছে। (World Religion Status দ্রষ্টব্য) আমাদের দেশে যে বৌদ্ধধর্ম বেঁচে আছে সেটা হেয় করার কোন উপায় নেই, কারণ জাপানের মত বিত্তশালী দেশ হতে না পারলেও আমরা অল্প সংখ্যক জনগোষ্ঠী বৌদ্ধ ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে পারছি।

৬। শম্পা বড়ুয়ার ৬ নং উক্তির সাথে আমি একমত। বাংলাদেশে বর্তমানে ভিক্ষু সংঘের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষার প্রচুর অভাব, কারণ ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্র প্রায় নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে বয়োজ্যেষ্ঠ এবং শিক্ষাবিদ ভান্তেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, না হলে অদূর ভবিষ্যতে মানুষের শ্রদ্ধার অভাব এবং জ্ঞানী ভিক্ষু সংকট দুই বিপর্যয় উপস্থিত হতে পারে। যেসব দেশী ভিক্ষুরা বৌদ্ধ প্রতিরূপ দেশে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন, বৌদ্ধ সংগঠন এবং ভিক্ষুদের উচিত তাদের দেশে আনিয়ে যোগ্য সম্মান ও পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে দেশের ভিক্ষু শ্রামনদের ট্রেনিং দেয়ার ব্যবস্থা করা হয় যাতে ভবিষ্যতে তারাও যোগ্য জ্ঞানী ও ধর্মীয় নেতা হতে পারেন।

৭। ভিক্ষুণী প্রসঙ্গঃ বর্তমানে এ বিষয় নিয়ে অনেক জ্ঞানী গুণী ভিক্ষু ও বৌদ্ধ লেখকগণ অভিমত প্রকাশ করেছেন। এ বিষয় নিয়ে থেরবাদ বৌদ্ধ দেশ গুলোতে যথারীতি বাগবিতণ্ডা চলছে। তাই আমি নতুন করে কিছু বলতে চাইছি না, শুধু একটি কথাই বলব, বুদ্ধ পুরুষদের মত নারীদেরও বুদ্ধ শাসনে সমান সুযোগ দিয়েছিলেন। তিনি কখনও বলেন নি নারীরা অপবিত্র বা অশুচি। কিন্তু নারীদের ভিক্ষুণী শাসনে আসার জন্য ভিক্ষু এবং ভিক্ষুণী সংঘ সাথে দরকার ভিক্ষুণী উপাধ্যায়। এসব কিছু পরিপূর্ণ থাকলে ভিক্ষুণী শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে কোন আপত্তি থাকার কথা নয়।

আমি আবার বলছি আমি শম্পা বড়ুয়ার বক্তব্যর কোন বিরোধিতা করছি না, শুধু মাত্র আমার দৃষ্টিতে ভুলগুলো শুদ্ধ করে দেবার প্রয়াস চালিয়েছি। উনি একজন নারী হিসেবে মুক্ত আলোচনা সভায় সাহসের সাথে যে বক্তৃতা দিয়েছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়। তবু সমাজে বসবাসকারী অন্যদের অন্তরায় হতে মুক্তি লাভের আকাঙ্খায় আমাকে কিছু লিখতে বসতে হল। একজন রক্ত মাংস গড়া মানুষ হিসেবে আমার ও ভুল থাকতে পারে। আমার এই আর্টিকেল পড়ে ভুলগুলো শুধরে দিয়ে বাধিত করবেন।

বিনীত-
অমিতানন্দ ভিক্ষু (বি.এ অনার্স ) এম.এ (চলমান)
ইন্টারন্যাশনাল বুড্ডিস্ট কলেজ, থাইল্যান্ড
ই -মেইলঃ This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.
Facebook: Amitananda Bhikkhu –


তথ্যসুত্রঃ
1. মহামঙ্গল; আনন্দমিত্র মহাথের
2. সদ্ধর্ম রত্ন চৈত্য; জিনবংশ মহাস্থবির
3. মহাসতিপটঠান সূত্র; পালি ও বাংলা
4. World Religion Status

Additional Info

  • Image: Image