২৫৬২ বুদ্ধাব্দ ১০ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ইংরেজী
Clear

21°C

Chittagong

Clear

Humidity: 95%

Wind: 11.27 km/h

  • 22 Feb 2018

    Sunny 30°C 16°C

  • 23 Feb 2018

    Mostly Sunny 30°C 17°C

  • সেই খানেরই গলদ, যেখানে সততা নেই। টাকা পয়সার দিকে নজর দিলে কাজের নেশা নষ্ঠ হয়ে যায়। টাকা পয়সা বড় কথা নয়, কাজ চাই।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

  • আমাদের সমাজে যে এখনো কোন বড় কোন প্রতিভার জন্ম সম্ভব হচ্ছে না, তার কারণ পরশ্রীকাতরতা। আমরা গুণের কদর করি খুব কম। কিন্তু মন্দটাকে সগর্বে প্রচার করে বেড়াতে পারি।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • যুদ্ধ সভ্যতাকে ধ্বংস করে এবং শান্তি বিশ্বকে সুন্দর করে । যুদ্ধ মানুষকে অমানুষ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ ছিনিয়ে নেয় প্রেম-ভালবাসা এবং যুদ্ধের আগুনে আত্নহুতি দিতে হয় বহু প্রাণের । যুদ্ধকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা উচিৎ।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • আপনি যেমন মহৎ চিন্তা করেন কাজেও সেইরুপ হউন, আপনার কথাকে কাজের সাথে এবং কাজকে কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলুন।
    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

রামুর বৌদ্ধপল্লিতে হামলার তিন বছর : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় সাক্ষীরা

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৬:২৪ আব্দুল কুদ্দুস, রামু থেকে ফিরে। প্রথম আলো ।

রামুর বৌদ্ধপল্লিতে হামলার তিন বছর : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় সাক্ষীরা

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধপল্লিতে হামলার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষীরা আদালতে হাজির হচ্ছেন না। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের স্থানীয় নেতারা বলছেন, অভিযোগপত্রে প্রকৃত হামলাকারীদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই সাক্ষ্য দিতে এসে নতুন করে শত্রু বাড়াতে চান না তাঁরা।

কক্সবাজার আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মমতাজ আহমদ বলেন, হামলার ঘটনায় করা ১৯টি মামলার মধ্যে ১১টির (রামুর ৭টি, উখিয়ার ৪টি) বিচার শুরু হয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তার কথা তুলে কেউ আদালতে সাক্ষ্য দিতে রাজি হচ্ছেন না।

কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ও রামুর বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনার চাক্ষুষ সাক্ষী না থাকলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
হামলার শিকার লোকজন কেন সাক্ষ্য দিচ্ছে না, তা জানতে চাইলে রামু উপজেলা বৌদ্ধ ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া বলেন, ‘হামলার সঙ্গে জড়িত ২০ জনের একটা তালিকা আমরা পুলিশকে দিয়েছিলাম। কিন্তু তাদের আসামি করা হয়নি। যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের আমরা চিনি না। এখন আদালতে কার বিরুদ্ধে আমরা সাক্ষ্য দেব? এতে আমাদের শত্রু আরও বেড়ে যাবে।’
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর কেন্দ্রীয় সীমা বিহারসহ ১২টি প্রাচীন বৌদ্ধবিহার এবং ৩৪টি বসতি ধ্বংস করে দুর্বৃত্তরা। উত্তম বড়ুয়া নামের এক যুবক তাঁর ফেসবুকে পবিত্র কোরআন শরিফ অবমাননা করেছেন—এই অভিযোগে হামলা চালানো হয়। পরদিন উখিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজার সদরের আরও সাতটি মন্দির ও ১১টি বসতিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজার সদর থানায় ১৯টি মামলা করে।

রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথের বলেন, ‘তিন বছর পার হলেও জানতে পারছি না কেন আমরা হামলার শিকার হলাম? বৌদ্ধপল্লিতে হামলা চালিয়ে কার লাভ হলো?’ তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছুটে এসেছিলেন। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনি ধ্বংসস্তূপের ওপর দ্রুত ১২টি বৌদ্ধবিহার তৈরি করে দিয়েছেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি পাহারা দিয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা দিচ্ছে। কিন্তু মন থেকে সেই দিনের ক্ষত মুছে ফেলতে পারছে না কেউ। কারণ, হামলাকারীরা এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আছে সবার।’
তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ বলেন, হামলার ঘটনায় যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাঁদেরই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা : আব্দুল কুদ্দুস, রামু থেকে ফিরে। প্রথম আলো ।

Nirvana Peace Foundation

নির্বাণা কার্যক্রম
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্নশিশু কিশোরদের… ( বিস্তারিত )
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন শিশু কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা… ( বিস্তারিত )
Image
পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের… ( বিস্তারিত )
আরও
সংবাদ সমীক্ষা
আরও