২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বুধবার, ২৪ মে ২০১৭ইংরেজী

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

মায়ানমারের সোয়েডাগন প্যাগোডাঃ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নান্দনিক সমাহার

মায়ানমারের সোয়েডাগন প্যাগোডাঃ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নান্দনিক সমাহার মায়ানমারের সোয়েডাগন প্যাগোডায় পূজিত হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের কেশ ধাতু সোয়েডাগন প্যাগোডা এটি গ্রেড ডাগন এবং গোল্ডেন প্যাগোডা নামেও পরিচিত। এটি মায়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহরে প্রতিষ্ঠিত। মহাকারুণিক গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের সপ্তম সপ্তাহের শেষ দিন তপস্সু ও ভল্লিক নামে দু'জন মধুবণিক মধু ও মধু পিষ্ঠক দিয়ে বুদ্ধকে পূজা করেছিলেন। এ দু’জন ছিলেন বুদ্ধের প্রথম দ্বিবাচিক গৃহী উপাসক। পন্ডিতগণের অনেকে মনে করেন তাঁরা ছিলেন উরিষ্যার…

বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম : উত্থান-পতন, পুনরুত্থান ও ইতিহাসের আলোকে বাংলায় বৌদ্ধধর্মের স্বর্ণযুগ-অবদান (২য় পর্ব)

বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম : উত্থান পতন পুনরুত্থান ও ইতিহাসের আলোকে বাংলায় বৌদ্ধধর্মের স্বর্ণযুগ-অবদান (২য় পর্ব) বৌদ্ধধর্মই চট্টগ্রামের প্রাচীনতম ধর্ম : চট্টগ্রামের ইতিহাস লেখক পূর্ণচন্দ্র চৌধুরী'র বর্ণনায় প্রথম খৃষ্টাব্দের প্রারম্ভে মগধদেশ হতে মহাযান বৌদ্ধধর্ম প্রচারকগণ পূর্ববঙ্গে এসে ধর্মপ্রচার করেন । সুতরাং, বৌদ্ধধর্মই চট্টগ্রামের প্রাচীনতম ধর্ম । নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের পর দেবরাজগণের সময় চট্টগ্রামের পণ্ডিত বিহার বৌদ্ধধর্ম চর্চার প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠে । পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পণ্ডিতগণ এই পণ্ডিত বিহারে এসে ধর্মচর্চায় নিয়োজিত…

বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম : উত্থান-পতন, পুনরুত্থান ও ইতিহাসের আলোকে বাংলায় বৌদ্ধধর্মের স্বর্ণযুগ-অবদান (১ম পর্ব)

বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম : উত্থান-পতন পুনরুত্থান ও ইতিহাসের আলোকে বাংলায় বৌদ্ধধর্মের স্বর্ণযুগ-অবদান (১ম পর্ব) বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে গেলে যেমন বাংলাদেশের বৌদ্ধধর্ম প্রসঙ্গ উঠে আসে অনুরূপ বাংলাদেশের বৌদ্ধধর্ম আলোচনায় বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কেও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উঠে আসা স্বাভাবিক । পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনায় বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য-কৃষ্টি-সংস্কৃতি-জীবনধারার ক্রমবিকাশে বৌদ্ধধর্ম-সংস্কৃতির ব্যাপক ভূমিকাও রয়েছে । একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব সাম্প্রতিক কালের ঘটনা হলেও বাংলাদেশ একটি প্রাচীন সভ্যতার আবাসভূমি । সুপ্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে…

পাল যুগে বৌদ্ধ বিহার কেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা

পাল যুগে বৌদ্ধ বিহার কেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা   পাল আমলে বাংলার বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। পাল রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠলেও মূলত এখানে চর্চা হয়েছে দর্শন ও বিজ্ঞানের। প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আদলে তৈরি করা বিহার নামে পরিচিত এসব বৌদ্ধ মঠই প্রাচীন বাংলার শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। বৌদ্ধ ধর্মের শাস্ত্রীয় শিক্ষার পাশাপাশি এখানে ব্যাকরণ, শব্দবিদ্যা, হেতুবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, চর্তুবেদ, সংখ্যা, সংগীত ও চিত্রকলা শিক্ষা দেওয়া হতো। এ ছাড়া এসব বিহারকেন্দ্রিক শিক্ষায়তনে অধ্যয়নরত…

উজ্জ্বল পরিপ্রেক্ষিতে বায়ান্ন এবং একুশ শতকের অভিঘাত

উজ্জ্বল পরিপ্রেক্ষিতে বায়ান্ন এবং একুশ শতকের অভিঘাত এ কে এম শাহনাওয়াজ একটি জাতির পরিচিতির জন্য ভাষা ও বর্ণমালার চেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম আর কিছু নেই। বাঙালি সংস্কৃতির বিশালতায় তার ভাষার শক্তিশালী অবস্থান ছিল বরাবরই। যুগে যুগে বিদেশি নানা জাতি নিয়ন্ত্রণ করেছে এ দেশকে। নিয়ন্ত্রণ আরোপের শুরুতেই বাঙালির ভাষার শক্তিকে অনুভব করেছে তারা। অবজ্ঞা করতে পারেনি- সতর্ক হতে হয়েছে। আর্যরা ভারতে প্রবেশ করেছে খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার অব্দে। উর্বর ভূমির সন্ধানেই কৃষিজীবী আর্যরা…

ফতেনগরের মহাবোধি মেলা ও অলৌকিক কাহিনী

ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে ফতেনগরে অনুষ্ঠিত হয় মহাবোধি মেলা। মহাবোধি মেলা এবং অলৌকিক কাহিনী নিয়ে এবারের নিবেদন... ফতেনগরের মহাবোধি মেলা ও অলৌকিক কাহিনী বাংলাদেশী বৌদ্ধদের জন্য বুদ্ধ পূর্ণিমা, আষাঢ়ী পূর্ণিমা, প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, কঠিন চীবর দান ছাড়া অন্য কোন প্রধান ধর্মীয় উৎসব না থাকলেও কিছু কিছু অঞ্চলে নির্ধারিত কোন বুদ্ধমূর্তি, চৈত্য, বোধিবৃক্ষ বা অন্য কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বৌদ্ধরা বিভিন্ন উৎসব পালন করে থাকে। যেমনঃ- ঠেগরপুনির বুড়াগোঁসাইর মেলা, হাইদগাঁওয়ের চক্রশালা…

নালন্দার ধ্বংস ধর্মান্ধদের চোখে ধর্মীয় বিজয়

নালন্দার ধ্বংস ধর্মান্ধদের চোখে ধর্মীয় বিজয় “নালন্দা” শব্দটি এসেছে “নালম” এবং “দা” থেকে। “নালম” শব্দের অর্থ পদ্ম ফুল যা জ্ঞানের প্রতীক রূপে প্রকাশ করা হয়েছে আর “দা” দিয়ে বুঝানো হয়েছে দান করা। তার মানে “নালন্দা” শব্দের অর্থ দাঁড়ায় “জ্ঞান দানকারী”, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৮০০ বছর ধরে জ্ঞান বিতরনের মত দুরূহ কাজটি করে গেছে নিরলসভাবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ভারতের বিহার রাজ্যের রাজধানী পাটনা থেকে ৫৫ মাইল দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবস্থিত “বড়গাঁও” গ্রামের…

বাংলাদেশে গৌতম বুদ্ধের শুভাগমণ ও চক্রশালা বৌদ্ধ বিহারের ইতিবৃত্ত

বাংলাদেশে গৌতম বুদ্ধের শুভাগমণ ও চক্রশালা বৌদ্ধ বিহারের ইতিবৃত্ত বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনায় বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি,জীবনধারার ক্রমবিকাশে বৌদ্ধধর্ম-সংস্কৃতির ব্যাপক ভূমিকাও রয়েছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব সাম্প্রতিক কালের ঘটনা হলেও বাংলাদেশ একটি প্রাচীন সভ্যতার আবাসভূমি এবং যুগে যুগে বঙ্গ বা বাঙালি শব্দকে ঘিরে সুজলা-সুফলা অস্তিত্বকে কবি, সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকরা ভাবের ব্যঞ্জনায় প্রকাশিত করে আসছেন। ইবনে বতুতা, আলবেরুণী, টলেমী ও চৈনিক পর্যটকগণ বাংলার ঐশ্বর্য ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ না হয়ে…

হাজার বছরের বাংলা-৩: বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম ও পাল বংশের কুলজি

হাজার বছরের বাংলা-৩ : বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম ও পাল বংশের কুলজি বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মরাজা গোপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন_এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। তবে গোপালের পিতা-পিতামহ বৌদ্ধ ছিলেন কি না এ ব্যাপারে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। তিব্বতীয় গ্রন্থ থেকে জানা যায়, গোপাল নালন্দায় একটি বৌদ্ধবিহার এবং আরো অনেক বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। ভারতের অন্যান্য জায়গায় যখন বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব পড়তির দিকে, তখনো বাংলাদেশ ও বিহারে…

চট্টগ্রামের মহামুনি বুদ্ধ মূর্তি

কিংবদন্তী রয়েছে গৌতম বুদ্ধ কোনো এক সময় আরাকানে ধর্ম প্রচার করতে এসেছিলেন। ভক্তরা বুদ্ধকে দেখে যে বুদ্ধ মূর্তিটি তৈরী করেছিল সেটি ছিল অবিকল গৌতম বুদ্ধের প্রকৃত চেহারার মত। আরাকানে স্থাপিত করা হয় এ বুদ্ধ মূর্তিটিই। এরই আদলে নির্মাণ করা হয় (১৮১৩) চাইঙ্গা স্থবির (চাইঙ্গা ঠাকুর খ্যাত) এর জন্মস্থানের বুদ্ধ মূর্তিটি। এ স্থানটি পাহাড়ের তলে অবস্থিত বলে আগেই পাহাড়তলী নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। মহামুনি বুদ্ধ মূর্তি স্থাপন করার পর নামকরণ হয়…

হাজার বছরের বাংলা-১০পাল রাজাদের স্থাপত্যকীর্তি

হাজার বছরের বাংলা-১০পাল রাজাদের স্থাপত্যকীর্তি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজাদের শাসনকাল ছিল স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও শিল্পকলার স্বর্ণযুগ। বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী পালদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এসব শিল্পের বিকাশ ঘটে। এসব শিল্পের মধ্যে পালদের প্রধানকীর্তি ছিল স্থাপত্য নির্মাণে। স্থাপত্যে শিল্পের মধ্যে পাল রাজারা বিহার-মহাবিহার, স্তূপ, মন্দির নির্মাণ করে জগৎজুড়ে খ্যাতি লাভ করেছিলেন। বাংলা অঞ্চলে নির্মিত এসব স্থাপত্যকালের সাক্ষী হিসেবে আজও তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। পাল রাজা গোপাল, ধর্মপাল, মহীপাল, রামপালসহ অনেক শাসক বৌদ্ধ…

শালবন বিহার খুঁড়ে টেরাকোটা মূর্তি

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা শালবন বৌদ্ধবিহার খনন করে পোড়ামাটির (টেরাকোটা) ফলক ও মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সেখানে দেড় মাস ধরে খননকার্য চলছে। এদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঢোলসমুদ্র গ্রামে খনন করে একটি প্রাচীন স্থাপনার দেয়াল ও ইটের সন্ধান মিলেছে। শালবন বৌদ্ধবিহারের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো ময়নামতি জাদুঘরে রাখা হয়েছে। খননকাজ গতকাল মঙ্গলবারও অব্যাহত ছিল। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, শালবন বৌদ্ধবিহারের ৩৭ একর এলাকায়…

মহামুনি বুদ্ধ মূর্তির ইতিহাসঃ বুদ্ধের জীবিত অবস্থায় বানানো ৫ম বুদ্ধ মূর্তি

বার্মায় যে কটি বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে তার মধ্যে মহামুনিবুদ্ধ এবং মুন অং মাইন (Mahamuni Buddha and MunAung Myin Buddha) অন্যতম। উল্লেখ্য মুন অং মাইনমুর্তিটি ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়া ভারতে আগুনের মাধ্যমে গলাতে ব্যর্থ হয়ে বার্মায়ফেরত দেন। আর মহামুনি বুদ্ধকে ধনাবতী নগর থেকে নিয়ে বিভিন্ন যায়গায় নিয়ে যাওয়ার কারণেনাকি বার্মার উপর অভিশাপ পরে। যার কারণে এই দেশটি এখনো গরীব হয়ে রয়েছে। আমাদের আজকেরআলোচনা মহামুনি বুদ্ধ নিয়ে।বার্মার মান্ডালায়ে অবস্থিত মহামুনি প্যাগোডা বিশ্বের অন্যতমসুন্দর…

বিক্রমপুর বৌদ্ধ বিহারের খননকাজ অব্যাহত

জ্ঞানতাপস অতীশ দীপঙ্করের জন্মভূমি মুন্সিগঞ্জের রামপাল ইউনিয়নের রঘুরামপুরে আবিষ্কৃত ‘বিক্রমপুরি বৌদ্ধবিহার’-এর খনন ও সংরক্ষণকাজ চতুর্থ দফায় অর্থাৎ চতুর্থ বছরে অব্যাহত রয়েছে। বিহারটির প্রাচীন কাঠামো ঠিক রেখে এর সংস্কারকাজ করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে গঠিত ঐতিহ্য অন্বেষণের গবেষকেরা। গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঐতিহ্য অন্বেষণের তিন সদস্যের একটি দল বিহারটির সংরক্ষণকাজে ব্যস্ত। তাদের সঙ্গে রয়েছেন ছয়জন রাজমিস্ত্রি ও ২২ জন জোগালি। অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব…

বৌদ্ধবিহারের সন্ধান মিলল পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারিতে

একটি নয়, দু’টি বৌদ্ধবিহারের সন্ধান মিলল পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারিতে। দু’টি বৌদ্ধবিহার মুখোমুখি। দু’টিই ষষ্ঠ শতকের। একটির নাম পড়া গিয়েছে, বন্দক। অন্যটির নাম পড়ার চেষ্টা চলছে। হিউয়েন সাং বা জুয়ান জ্যাং কথিত বৌদ্ধবিহারগুলির মধ্যে এই দু’টি নবতম আবিষ্কার। পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারি প্রত্নস্থলে সম্প্রতি উৎখনন করে এই দু’টি বিহারের সন্ধান পেয়েছেন পুরাতত্ত্ববিদেরা। রাজ্য পুরাতত্ত্ব দফতরের উপ অধিকর্তা অমল রায় বলেন, “পুব ও পশ্চিম দিকে মুখোমুখি দু’টি বৌদ্ধ বিহার ছিল। দু’টিই সমসাময়িক।” সম্প্রতি…