২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ইংরেজী
Sunny

28°C

Chittagong

Sunny

Humidity: 61%

Wind: 22.53 km/h

  • 21 Nov 2017

    Sunny 29°C 19°C

  • 22 Nov 2017

    Partly Cloudy 27°C 17°C

প্রাচ্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

আফঘানিস্তান ও বৌদ্ধধর্মের বিস্মৃত ইতিহাস

আফঘানিস্তান ও বৌদ্ধধর্মের বিস্মৃত ইতিহাস ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু মায়াবী অতীত, যা কালপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত এবং সাহিত্য চেতনারও[1] এক অচ্ছেদ্য অঙ্গ| অতীত এক অর্থে মৃত নয়, বরং প্রাণবন্ত বর্তমানেরই এক ভিন্নমুখী ব্যাপ্তি[2]| অতীতের প্রাণস্পন্দন নিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন; ‘ভারতবাসীর ঘরের লোক এত সত্য নহে, রাম, লক্ষণ, সীতা তাহার পক্ষে যত সত্য’; কিন্তু জ্যোতির্বিদ রাজেশ কোচ্ছার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষনের সুবাদে এই অতি একান্ত আপনজন রামের সঙ্গে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা[3] কিংবা শ্রীলঙ্কা নয়, সুদুর…

বৌদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ মোগলমারিতে ৯১টি বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার

বৌদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ মোগলমারিতে ৯১টি বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার প্রাচীন ভারতের নালন্দা, তক্ষশীলা, ওদন্তপুরী, পাহাড়পুর ইত্যাদির মতো বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই মোগলমারিতে দেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধবিহার এটা৷মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২০০৩ সালে সর্বপ্রথম দাঁতনের মোগলমারিতে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছিলেন স্থানীয়রা৷ বিষয়টি পুরাতত্ব বিভাগকে জানিয়ে শুরু হয়েছিল তৎপরতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় খননকার্য চালায় এই অঞ্চলে৷ এই খননে একাধিক বৌদ্ধবিহারের স্মৃতি উদ্ধার হওয়াতে ঐতিহাসিক সৌধের মর্যাদা দিয়ে…

বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থান : মুচলিন্দ (নাগরাজ কর্তৃক সেবা প্রদান) : ৬ষ্ঠ পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থান : মুচলিন্দ (নাগরাজ কর্তৃক সেবা প্রদান) : ৬ষ্ঠ পর্ব ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে তথাগত বুদ্ধত্ব লাভের পঞ্চম সপ্তাহ অজপাল ন্যাগ্রোধ নামক স্থানে কাটান। পঞ্চম সপ্তাহের অবসানে তথাগত সমাধি হতে উঠে মুচলিন্দ (সংস্কৃতে “মুচ(চু)কুন্দ”) নামক বৃক্ষমূলে উপস্থিত হলেন এবং সেখানে একাসনে, ধ্যানপদ্মাসনে বিমুক্তিসুখ অনুভব করছিলেন এমন সময় প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। এহেন অবস্থা দেখে মুচলিন্দ নাগরাজ স্বীয় ভবন হতে বের হয়ে ভগবানের দেহ স্বীয় সপ্ত দেহকুন্ডলে বেষ্টিত করে তথাগতের মাথার…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহিঃপ্রকাশের স্থান):৫ম পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহি:প্রকাশের স্থান): ৫ম পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৫ম পর্ব : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহিঃপ্রকাশের স্থান) বুদ্ধগয়ার মূল মন্দিরে পশ্চিমমুখী হয়ে প্রবেশের সময় ডিভাইডার এর মতো করে মূল রাস্তাটিকে দুভাগে ভাগ করে রেখেছে একটি স্তম্ভ এবং একটি নামফলক। পূর্ব থেকে না জানলে কেউ সাধারণত বুঝবেনা এটা বুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এক মহান স্থান। কিন্তু যারা জানেন তারা অবশ্যই মহাবোধি…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) : ৪র্থ পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) : ৪র্থ পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৪র্থ পর্বরত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) এই সেই স্থান যেখানে তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের পর চতুর্থ সপ্তাহ কাটিয়েছিলেন। দেবগণ প্রভাবে এই ‘রত্নঘর’ নির্মিত হয়েছিল।বুদ্ধগয়ার মূল মহাবোধির উত্তর পশ্চিম কোণে ‘রত্নঘর চৈত্য’ অবস্থিত। চংক্রমণ করে তৃতীয় সপ্তাহ কাটানোর পর এই স্থানেই অবস্থান করেন বুদ্ধ। তথায় একাসনে বসে গম্ভীর অর্থপুর্ণ অভিধর্ম তথা অনন্ত…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নচংক্রমণ : ৩য় পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নচংক্রমণ : ৩য় পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৩য় পর্ব : রত্নচংক্রমণ আমরা অনেকে বন্দনা করি- পঠমং বোধিপালঙ্কং, দুতিযং অনিমিসম্পিচ, ততিযং চংক্রমণ সেট্ঠং...... বন্দে তং বোধিপাদপং। এখানে তৃতীয় নম্বরে বুদ্ধের চংক্রমণ করার সেই স্থানটিকেই আমরা বন্দনা করি।উল্লেখিত ছবিটি সেই চংক্রমণের স্থানকেই নির্দেশ করে। এই স্থানটিকে চিহ্নিত করে সেখানে পাকা করে উঁচু করে রাখা হয়েছে। আর বুদ্ধের চংক্রমণের পদবিক্ষেপ সমূহকে সেই পাকা স্থানের উপরে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে রাখা…

ভারতবর্ষে বৌদ্ধ ধর্মের অবলুপ্তির কারণ

ভারতবর্ষে বৌদ্ধ ধর্মের অবলুপ্তির কারণ চিত্র ১ – সম্রাট অশোকের প্রতিকৃতি। লক্ষাধিক নিহতের কলিঙ্গের যুদ্ধের পরে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অনুতপ্ত সম্রাট অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন।  মুসলিমদের উপমহাদেশে আবির্ভাবের আগে থেকেই বৌদ্ধরা ক্ষমতাশালী হিন্দুদের প্রতাপে ছিলেন একেবারে কোণঠাসা। এমনকি গৌতম বুদ্ধের মৃত্যুস্থান বিহারের প্রতিবেশী বাংলাতেও হিন্দু ব্রাহ্মণ, শাসক ও নেতারা সাধারণ জনগণকে বশীভূত করে ফেলতে পেরেছিলেন। আসলে ইসলাম না এলে বৌদ্ধ ধর্ম হিন্দুদের দ্বারা ভারতবর্ষ থেকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্নই হয়ে যেত। অন্ধ বৌদ্ধবাদের…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অনিমিষ চৈত্য : ২য় পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অনিমিষ চৈত্য : ২য় পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ২য় পর্বকৃতজ্ঞতার অন্যতম মহান নিদর্শন- অনিমিষ চৈত্য বোধিপালঙ্কে একটানা সাতদিন কাটানোর ফলে কিছু কিছু দেবতার মনে সন্দেহের উদয় হয়েছিল যে সিদ্ধার্থের কর্তব্য কাজ এখনো শেষ হয় নাই তাই স্থানের মায়া এখনো কাটাতে পারছেন না। তথাগত ইহা জানতে পেরে অষ্টম দিনে তাদের উদ্দেশ্যে যমক ঋদ্ধি প্রদর্শন করে বোধিপালঙ্ক ছেড়ে বজ্রাসনের অনতিদূরে উত্তর পূর্ব কোণে স্থিত হয়ে চিন্তা…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : প্রথম মহাস্থান – বোধিপালঙ্ক : ১ম পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : প্রথম মহাস্থান – বোধিপালঙ্ক : ১ম পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ১ম পর্ব প্রথম মহাস্থান – বোধিপালঙ্ক এই সেই স্থান যেখানে গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভ করে দিকে দিকে বিলিয়েছেন বহু জনের হিতের তরে বহু জনের সুখের তরে শান্তির, বিমুক্তির অমিয় সুধা। যে সুধা পান করে বিশ্বের অসংখ্য মানুষ এখনো বিমুক্তির পথ নির্দেশনা খুজে পায়। জেনে আশ্চর্যন্বিত হবেন এই পর্যন্ত যত সম্যক সম্বুদ্ধ উৎপন্ন হয়েছেন প্রত্যেকেই…

তক্ষশীলা : বিশ্বের সর্বপ্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্চর্যময় কিছু কথা

তক্ষশীলা : বিশ্বের সর্বপ্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্চর্যময় কিছু কথা তক্ষশীলা হলো প্রাচীন ‘গান্ধার’ রাজ্যের রাজধানী যার অবস্থান ছিল বর্তমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এবং পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডি থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার (২০ মাইল)উত্তর-পশ্চিমে; যা গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড থেকে খুব কাছে। এটি পাকিস্তান সৃষ্টির আগ পর্যন্ত ভারতবর্ষের অর্ন্তগত ছিল। ৩টি সুপরিচিত বানিজ্যিক রুটের সম্মিলন স্থান হওয়ায় রাজা ভরত ও তার স্ত্রী মান্দভির পুত্র তক্ষের নামে প্রতিষ্ঠিত এই তক্ষশিলা শিক্ষা ও বানিজ্যকেন্দ্র হিসাবে গড়ে ওঠে আবার তক্ষশীলার…

বাংলা সাহিত্যে বৌদ্ধচর্চার পটভূমি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য

বাংলা সাহিত্যে বৌদ্ধচর্চার পটভূমি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য ৭৫০ থেকে ১১৬০সাল পর্যন্ত পাল বৌদ্ধরাজারা চারশত বৎসর বাংলা শাসন করেন। তাঁদের শাসনকালে বাঙালির নব যাত্রা শুরু হয়। ধর্ম, শিল্প, সাহিত্য ও শিক্ষায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটে। তাঁদের সম্যক পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা নালন্দা, বিক্রমশীলা, ময়নামতি, পাহাড়পুর, সোমপুর ওদন্তপুর প্রভৃতি মহাবিহারকে ঘিরে বাঙালির মহিমা বৌদ্ধজগতে প্রসিদ্ধি লাভ করে। শীলভদ্র, শান্তিরক্ষিত, পদ্মসম্ভব, কমলশীল, দীপংকর শ্রীজ্ঞান, চন্দ্রগোমিন, অভয়কর গুপ্ত প্রভৃতি বাঙালির পরম গর্বের ধন। প্রাচীনযুগ তথাগত…

বুদ্ধধর্মের প্রভাব : প্রেক্ষিত ইন্দোনেশিয়া

বুদ্ধধর্মের প্রভাব : প্রেক্ষিত ইন্দোনেশিয়া খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় শতাব্দী। রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতমের জন্ম,সংসারত্যাগ,ষড়বৎসর কঠোর তপস্যা,বুদ্ধ জ্ঞানপ্রাপ্তি এবং মানবকল্যাণে তাঁর লব্ধজ্ঞানের সদ্ধর্মবাণীর প্রচার ও প্রসার সত্যিই অভিনব এবং বিস্ময়কর বিষয়। মানবতা,মানবপ্রেম এবং মনুষ্যত্বের নবতম জাগরণের মাধ্যমে গৌতম বুদ্ধ সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে অভূতপূর্বভাবে সাড়া জাগিয়ে ছিলেন। আধ্যাত্মিক জ্ঞানসাধনা এবং মানবতাবাদের উন্মেষে রাজা,মহারাজা,শ্রেষ্ঠী,ধনী,মধ্যবিত্ত,সাধারণ এবং অতিসাধারণ বিশেষত সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এই শতাব্দীতে ভারতের পারিবারিক,সামাজিক,রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয়ভাবে পরিবর্তন সূচিত হয়। এ…

আমরা ফানুস কেন উড়াই? এর ইতিহাস কি?

আমরা ফানুস কেন উড়াই? এর ইতিহাস কি? আমরা প্রতি বছর প্রবারণা পূর্ণিমার দিন মহাসমারোহে ফানুস উড়াই। খুবই আনন্দ আয়োজন করি এই ফানুস নিয়ে। বিশেষ করে বেৌদ্ধ সমাজের তরুণদের মধ্যে হিড়িক পড়ে যায় কে কতটা বানাতে পারবে? অথচ আমরা জানিনা কেন ফানুস উড়াই? তাই আজকের আয়োজন ফানুস নিয়ে কিছু কথা ---- চারটি নিমিত্ত দর্শন করে রাজকুমার সিদ্ধার্থ আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিতে সংসার ত্যাগ করে ছিলেন। তাঁর নবজাত পুত্র রাহুলা আর প্রিয়তমা স্ত্রী…

শ্রীলংকায় বুদ্ধের পবিত্র দন্ত ধাতু মন্দিরের উৎসবের ইতিকথা

শ্রীলংকায় বুদ্ধের পবিত্র দন্ত ধাতু মন্দিরের উৎসবের ইতিকথা মন্দিরের চারপাশে পাহাড় ঘেরা পরিবেশ। সুন্দর সুশীতল মনোরম পরিবেশ। প্রতিদিন নানান আয়োজন থাকলেও প্রতি বছরের একটি নির্ধারিত সময় মহাসমারোহে সপ্তাহ ব্যাপি ধাতুমন্দিরে উৎসব হয়। স্থানীয় ভাষায় বলা হয় এসাল প্যারাহারা (Kandy Esala Perehera) । যখন কোন মহামারি কিংবা অনাবৃষ্টি হয়, তখন মাহামারি দুর করতে দন্তধাতুকে উন্মুক্ত করা হয়। একসময় শ্রীলংকায় নাকি অনাবৃষ্টি হয়েছিল, অনাবৃষ্টির কারনে মহামতি মারের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিল। মহামারির কারনে…

চর্যাপদ : বাংলা সাহিত্যে বৌদ্ধদের অনন্য অবদান

চর্যাপদ : বাংলা সাহিত্যে বৌদ্ধদের অনন্য অবদান চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। খৃষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলি রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই হয়। অসমীয়া ও উড়িয়া ভাষার সাথে অনেক মিল থাকায়, অসমীয়া এবং উড়িয়া ভাষারও…