২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৮ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ইংরেজী

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

"হাড়িপা পুংগ্রী গোষ্ঠীর" ৪র্থ সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

"হাড়িপা পুংগ্রী গোষ্ঠীর" ৪র্থ সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত "হাড়িপা” যার অপভ্রংশরুপ আরিয় পা বা আর্য পা। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন “চর্যাপদ” রচয়িতাদের মধ্যে অন্যতম পুণ্যপুরুষ "হাড়িপা” পুংগ্রী। যাঁর সতত রক্তের ধারা এখনো চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবহমান। "হাড়িপা পুংগ্রী গোষ্ঠীর" ৪র্থ সম্মেলন করার প্রয়াসে গত ৬ জুন ২০১৬ইং সোমবার ডাঃ মনোজ কুমার বড়ুয়ার মেহেদীবাগস্থ চেম্বারে এক প্রাক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৌদ্ধ জাতির আদি জনগোষ্ঠী যাদেরই রক্ত বহন…

রামু এখন আরো দর্শনীয়, বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

রামু এখন আরো দর্শনীয়, বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শনের পাশাপাশি আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে তৈরী নতুন নতুন বৌদ্ধ বিহার নিয়ে রামু এখন হয়ে ওঠেছে আরো বেশী দর্শনীয় স্থান। তাই কক্সবাজারের পাশাপাশি পর্যটকদের ভীড় বেড়েছে রামুতেও। এবারের ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা ভ্রমণে বৈচিত্রতা পেতে ছুঠে এসেছিল রামুতে। রামু যেতে হলে কক্সবাজার আসার পথে রামু বাইপাসে আপনাকে নামতে হবে। ওখানেই রাস্তার দু’পাশে সারি সারি ঝাউগাছ রামুর হয়ে আপনাকে স্বাগত জানাবে…

আফঘানিস্তান ও বৌদ্ধধর্মের বিস্মৃত ইতিহাস

আফঘানিস্তান ও বৌদ্ধধর্মের বিস্মৃত ইতিহাস ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু মায়াবী অতীত, যা কালপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত এবং সাহিত্য চেতনারও[1] এক অচ্ছেদ্য অঙ্গ| অতীত এক অর্থে মৃত নয়, বরং প্রাণবন্ত বর্তমানেরই এক ভিন্নমুখী ব্যাপ্তি[2]| অতীতের প্রাণস্পন্দন নিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন; ‘ভারতবাসীর ঘরের লোক এত সত্য নহে, রাম, লক্ষণ, সীতা তাহার পক্ষে যত সত্য’; কিন্তু জ্যোতির্বিদ রাজেশ কোচ্ছার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষনের সুবাদে এই অতি একান্ত আপনজন রামের সঙ্গে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা[3] কিংবা শ্রীলঙ্কা নয়, সুদুর…

জাগো জাগো চলো মঙ্গলপথে, বর্ষবরণের দিনে

জাগো জাগো চলো মংগলপথে, বর্ষবরণের দিনে জাগো উজ্জ্বল পুণ্যে, জাগো নিশ্চল আশেজাগো নিঃসীম শূন্যে, পূর্ণের বাহুপাশেজাগো নির্ভয় ধামে, জাগো সংগ্রাম সাজেজাগো ব্রক্ষ্মের নামে, জাগো কল্যাণ কাজে।মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা ——- নববর্ষের নব প্রভাত যা কিছু গ্লানি, জীর্ণ-শীর্ণ-বিদীর্ণ, পুরাতন জরাগ্রস্থ সব বৈশাখের রুদ্র দহনে পুড়ে অঙ্গার হোক, সকল না পাওয়ার বেদনাকে পিছনে ফেলে প্রকৃতিকে অগ্নিস্নানে শুচি ও শুদ্ধ করে তুলতেই আবহমান কাল থেকে বাঙালির জাতীয়…

বাংলা নববর্ষ ও বৌদ্ধধর্ম

বাংলা নববর্ষ ও বৌদ্ধধর্ম ভারতীয় উপমহাদেশের বৌদ্ধ অঞ্চলেই মুলতঃ বাংলাসনের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত বা বৌদ্ধ ঐতিহ্যের শেকড়ে আবদ্ধ অঞ্চলগুলোর সাল গণনা প্রায় এক। সে হিসেবে নেপাল হতে বৃহত্তর বাংলা ও ভারতের বিশাল এলাকা হয়ে শ্রীলংকা পর্যন্ত এই একই নিয়মে সাল গণনা হয়ে আসছে। শুধু ভারতীয় উপমহাদেশ নয় দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম যেখানেই বৌদ্ধধর্ম বিশেষ করে থেরবাদী বৌদ্ধধর্ম পালন করা হয় সেসব দেশের নব বর্ষের সাথে বৌদ্ধধর্মের…

বৈসাবি উৎসবে সেজেছে বান্দরবান মৈত্রীময় স্নিগ্ধ ছোঁয়ায়

বৈসাবি উৎসবে সেজেছে বান্দরবান মৈত্রীময় স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে বাংলা চৈত্র সংক্রান্তিতে নতুন সাজে সেজেছে বান্দরবান। পাড়া মহল্লায় পড়েছে সাজ সাজ রব। পাহাড়ে চলছে নানা আনন্দ আয়োজন। উৎসবে মেতে উঠেছে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী। “নতুন আশা আজ নব-প্রভাতে; শিশু-নারীসহ সকলে থাকুক শান্তিতে বন্ধ হোক যত সহিংসতা; মৈত্রীময় স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় আসুক শুভ্রতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের পাহাড়ীদের প্রধান সামাজিক উৎসব সাংগ্রাই আগামী ১২ এপ্রিল…

বর্ষ বরণে ঐতিহাসিক মহামুনি মন্দির প্রাঙ্গণে মহা আয়োজন

বর্ষ বরণে ঐতিহাসিক মহামুনি মন্দির প্রাঙ্গণে মহা আয়োজন ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার প্রাঙ্গনে হাজার বছরের চিরায়ত বাঙ্গালীর ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রতিবারের ন্যায় এবারও রয়েছে চৈত্র সংক্রন্তি ও বৈশাখী মেলাসহ নানা আয়োজন।মহামুনি বটমূল খ্যাত ‘ফনীতটি মঞ্চে’ মহামুনি গ্রামের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রকাশনা সংস্থা বিশেষ করে মহামুনি সংস্কৃতি সংঘ, মহামুনি তরুণ সংঘ ও ত্রৈমাসিক জ্ঞানালোর উদ্যোগে বর্ষবরণ উপলক্ষে পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু সপ্তাহব্যাপী আলোচনা…

বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ : অধ্যাপক বাদল বরণ বড়ুয়া

বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ : অধ্যাপক বাদল বরণ বড়ুয়া ॥ নাটক ॥বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নানাভাবে প্রতিফলিত হয়েছে- নাটকে, কবিতায় ছড়ায় গানে, ছোটগল্পে উপন্যাসে, প্রবন্ধে-নিবন্ধে রোজনামচায় ধৃত স্মৃতিকথায়, ইতিহাসের ধারাবাহিক গবেষণায় কতরূপেই না এর প্রকাশ হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কেন্দ্র উৎস হলো: যুগে যুগে অবদমিত বাঙ্গালী জাতিসত্তার নির্দ্বিধ উজ্জীবনের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সুখীসুন্দর অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা। এক কথায় সোনার বাংলা গড়ার এক আপোষহীন স্বপ্ন-এ স্বপ্ন দেখেছেন এবং জাতিকে দেখিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু…

বৌদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ মোগলমারিতে ৯১টি বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার

বৌদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ মোগলমারিতে ৯১টি বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার প্রাচীন ভারতের নালন্দা, তক্ষশীলা, ওদন্তপুরী, পাহাড়পুর ইত্যাদির মতো বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই মোগলমারিতে দেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধবিহার এটা৷মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২০০৩ সালে সর্বপ্রথম দাঁতনের মোগলমারিতে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছিলেন স্থানীয়রা৷ বিষয়টি পুরাতত্ব বিভাগকে জানিয়ে শুরু হয়েছিল তৎপরতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় খননকার্য চালায় এই অঞ্চলে৷ এই খননে একাধিক বৌদ্ধবিহারের স্মৃতি উদ্ধার হওয়াতে ঐতিহাসিক সৌধের মর্যাদা দিয়ে…

প্রবারণায় জাহাজ ভাসা উৎসব কেন

প্রবারণায় জাহাজ ভাসা উৎসব কেন প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বুদ্ধের সময় বৈশালী ছিল এক সমৃদ্ধ নগরী। এক প্রতাপশালী রাজবংশ বৈশালীকে শাসন করতেন। কথিত আছে যে, ক্ষত্রিয় বংশের সাত হাজার সাতশত সাত জন রাজা বৈশালীকে ক্রমান্বয়ে শাসন করেছিলেন। ধন ধান্যে পরিপূর্ণ বৈশালীতে হিংসাত্নক তান্ডব, বাদ-বিসংবাদ বলতে কিছুই ছিল না। রাজা, প্রজা, রাজ্য রাজত্ব যেন একই সুতোয় গাঁথা। হঠাৎ উক্ত রাজ্যে ত্রিবিদ উপদ্রব দেখা দিল। দুর্ভিক্ষ, মহামারি ও অমনুষ্যের উপদ্রবে রাজ্যের মানুষ দুর্বিসহ জীবনের…

বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থান : মুচলিন্দ (নাগরাজ কর্তৃক সেবা প্রদান) : ৬ষ্ঠ পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থান : মুচলিন্দ (নাগরাজ কর্তৃক সেবা প্রদান) : ৬ষ্ঠ পর্ব ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে তথাগত বুদ্ধত্ব লাভের পঞ্চম সপ্তাহ অজপাল ন্যাগ্রোধ নামক স্থানে কাটান। পঞ্চম সপ্তাহের অবসানে তথাগত সমাধি হতে উঠে মুচলিন্দ (সংস্কৃতে “মুচ(চু)কুন্দ”) নামক বৃক্ষমূলে উপস্থিত হলেন এবং সেখানে একাসনে, ধ্যানপদ্মাসনে বিমুক্তিসুখ অনুভব করছিলেন এমন সময় প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। এহেন অবস্থা দেখে মুচলিন্দ নাগরাজ স্বীয় ভবন হতে বের হয়ে ভগবানের দেহ স্বীয় সপ্ত দেহকুন্ডলে বেষ্টিত করে তথাগতের মাথার…

পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বৌদ্ধধর্মীয় স্থান

পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বৌদ্ধধর্মীয় স্থান বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা বৌদ্ধধর্মীয় ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানে পর্যটনের প্রসার ঘটাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পর্যটন থেকে এখন গড়পড়তা আয় হয় বার্ষিক সাড়ে পাঁচ শ কোটি টাকার বেশি। তবে বৌদ্ধধর্মীয় স্থানে পর্যটন শুরু হলে আগামী পাঁচ বছরে কেবল এই খাত থেকে বছরে ছয় শ কোটি টাকা আয় হবে। ‘বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট হেরিটেজ সাইটস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং’ শীর্ষক এক গবেষণায় এই সম্ভাবনার…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহিঃপ্রকাশের স্থান):৫ম পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহি:প্রকাশের স্থান): ৫ম পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৫ম পর্ব : অজপাল ন্যাগ্রোধ (মার কর্তৃক বুদ্ধের মহাগুণের বহিঃপ্রকাশের স্থান) বুদ্ধগয়ার মূল মন্দিরে পশ্চিমমুখী হয়ে প্রবেশের সময় ডিভাইডার এর মতো করে মূল রাস্তাটিকে দুভাগে ভাগ করে রেখেছে একটি স্তম্ভ এবং একটি নামফলক। পূর্ব থেকে না জানলে কেউ সাধারণত বুঝবেনা এটা বুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এক মহান স্থান। কিন্তু যারা জানেন তারা অবশ্যই মহাবোধি…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) : ৪র্থ পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) : ৪র্থ পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্তমহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৪র্থ পর্বরত্নঘর চৈত্য (সর্বপ্রথম অভিধর্ম গবেষণার স্থান) এই সেই স্থান যেখানে তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের পর চতুর্থ সপ্তাহ কাটিয়েছিলেন। দেবগণ প্রভাবে এই ‘রত্নঘর’ নির্মিত হয়েছিল।বুদ্ধগয়ার মূল মহাবোধির উত্তর পশ্চিম কোণে ‘রত্নঘর চৈত্য’ অবস্থিত। চংক্রমণ করে তৃতীয় সপ্তাহ কাটানোর পর এই স্থানেই অবস্থান করেন বুদ্ধ। তথায় একাসনে বসে গম্ভীর অর্থপুর্ণ অভিধর্ম তথা অনন্ত…

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নচংক্রমণ : ৩য় পর্ব

বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থান : রত্নচংক্রমণ : ৩য় পর্ব বুদ্ধগয়ার সপ্ত মহাস্থানের ধারাবাহিক বিবরণের ৩য় পর্ব : রত্নচংক্রমণ আমরা অনেকে বন্দনা করি- পঠমং বোধিপালঙ্কং, দুতিযং অনিমিসম্পিচ, ততিযং চংক্রমণ সেট্ঠং...... বন্দে তং বোধিপাদপং। এখানে তৃতীয় নম্বরে বুদ্ধের চংক্রমণ করার সেই স্থানটিকেই আমরা বন্দনা করি।উল্লেখিত ছবিটি সেই চংক্রমণের স্থানকেই নির্দেশ করে। এই স্থানটিকে চিহ্নিত করে সেখানে পাকা করে উঁচু করে রাখা হয়েছে। আর বুদ্ধের চংক্রমণের পদবিক্ষেপ সমূহকে সেই পাকা স্থানের উপরে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে রাখা…