২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৯ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ শুক্রবার, ২৩ জুন ২০১৭ইংরেজী
বুধবার, 10 ফেব্রুয়ারী 2016 02:42

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-১

লিখেছেনঃ রাজীব বড়ুয়া

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-১

আচিন্ন ভান্তে, সাধারণত উনাকে 'পা-অক সেয়াদ' বা পা-অক তয়া সেয়াদ বলা হয়। তিনি বর্তমানে মায়ানমারের মন প্রদেশের (Mon State) পা-অক বনবিহারের অধ্যক্ষ এবং প্রধান গুরু হিসেবে আছেন। পা-অক সেয়াদের জন্ম ১৯৩৪ সালে, মায়ানমারের রেঙ্গুনের প্রায় ১০০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে হিনথদ নামের একটি শহরের লেই-চোং নামের গ্রামে। ১৯৪৪ সালে ১০ বছর বয়সে তিনি তাঁর গ্রামের একটি বিহারে শ্রামণ হিসেবে প্রব্রজ্যা নেন।

পরের এক দশক ধরে তিনি সাধারণ পড়ুয়া শ্রামণ হিসেবে জীবনযাপন করেন। এবং বিভিন্ন গুরুর অধীনে পালি ত্রিপিটক শিক্ষা গ্রহণ করেন। সেয়াদ শ্রমণ থাকাকালীন তিনটি পালি ভাষা পরীক্ষায় পাস করেন। ১৯৫৪ সালে ২০ বছর বয়সে পা-অক সেয়াদ উপসম্পদা লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি মর্যাদাসূচক ধম্মাচারিয়া পরীক্ষায়ও পাস করেন। এটি পালি শিক্ষায় বিএ পাসের সমমান এবং এতে করে তাঁকে 'ধর্মাচার্য্য' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
পরবর্তী আট বছর ধরে তিনি ধর্মের অনুসন্ধানে সারা মায়ানমারে চষে বেড়ান এবং বিভিন্ন বিখ্যাত গুরুর কাছে ধর্ম শিক্ষা লাভ করেন। ১৯৬৪ সালে তাঁর ১০ম বর্ষাবাসে তিনি তাঁর ভাবনা চর্চার উপর জোর দেন এবং গভীর অরণ্যে চলে যান। পালি ত্রিপিটক সম্বন্ধে পড়াশোনার পাশাপাশি সেয়াদ সেই সময়কার বিখ্যাত এবং সন্মানিত ভাবনা গুরুদের কাছ থেকে অনেক মূল্যবান নির্দেশনা খুঁজে নেন।
পরের ১৬ বছর ধরে সেয়াদ অরণ্যে ভাবনা করাকেই তাঁর প্রধান কাজ হিসেবে নেন। তিনি সেই বছরগুলো মায়ানমারের দক্ষিণ অংশে মন প্রদেশে (Mon State) এ কাটান। সেই সময় সেয়াদ খুব সাদাসিদে জীবনযাপন করতেন। সেয়াদ পুরো সময়টা ভাবনা ও পালিশাস্ত্র পড়ে কাটাতেন।। চলবে............
সুত্রঃ জানা ও দেখা, সেয়াদের বই থেকে।

Additional Info

  • Image: Image