২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ইংরেজী

বৌদ্ধ মণীষা

বিমলেন্দু বড়ুয়া বাংলা সাহিত্য-সাংবাদিকতায় সব্যসাচী ঋদ্ধিমান কৃতিপুরুষ হিসেবে চিরজাগরূক হয়ে থাকবেন

বিমলেন্দু বড়ুয়া বাংলা সাহিত্য-সাংবাদিকতায় সব্যসাচী ঋদ্ধিমান কৃতিপুরুষ হিসেবে চিরজাগরূক হয়ে থাকবেন সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় বিচরণের মাধ্যমে বিমলেন্দু বড়ুয়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকতার দীপ্ত সাহসিকতায় অনন্য অবদান রেখে গেছেন। তাই তিনি বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় সব্যসাচী ঋদ্ধিমান কৃতিপুরুষ হিসেবে চিরজাগরূক হয়ে থাকবেন। গতকাল (১৮ মার্চ ২০১৭) সাংবাদিক বিমলেন্দু বড়ুয়া মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দির সড়কের ফুলকিস্থ এ কে খান স্মৃতি মিলনায়তনে প্রথিতযশা সাংবাদিক, বরেণ্য সাহিত্যিক,…

সাহিত্য ভাষ্কর বিমলেন্দু বড়ুয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাহিত্য ভাষ্কর বিমলেন্দু বড়ুয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি আলোক ছড়ায় আলোকিত জনউন্নত শির কর্মেতোমার অবদান কতই মহানঅনুভব করি মর্মে। ২২ জানুয়ারী নীরবে চলে গেলো সাহিত্য ভাষ্কর বিমলেন্দু বড়ুয়ার মৃত্যুবার্ষিকী। যদি বলা হয় আকাশ কত বড় কিংবা সমুদ্র কত বিশাল, তাহলে তার উত্তর দেয়া যেমন কঠিন, তেমনি মানুষ হিসেবে তিনি কত বড় কিংবা কত মহৎ- এক কথায় তার উত্তর দেয়া সত্যি দুরূহ। আকাশের মতো উদার আর সমুদ্রের মতোই বিশাল তার হৃদয়ের ঔদার্য। আকাশ…

আমাদের বিমলেন্দুদা : আবুল মোমেন

আমাদের বিমলেন্দুদা : আবুল মোমেন দীর্ঘদেহী ঋজু মানুষটি বাবার গুণগ্রাহী ছিলেন। তখনও বোধহয় চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র এবং তাই বাবার সাথে গুরুশিষ্য সম্পর্ক। তা ছাড়া তখন নবীন লেখক হিসেবে একজন প্রতিষ্ঠিত লেখকের সান্নিধ্য বাড়তি প্রেরণা হিসেবে কাজ তো করতই। তখন অনেক ছাত্রই আমাদের বাসায় আসতেন। বিশেষত যাদের সাহিত্যে উৎসাহ ছিল। সেকালে ফটোকপির কথা দূর-কল্পনাতেও ভাবা যেত না, কাটাকুটির খসড়া থেকে সাধারণত লেখককেই দাঁড় করাতে হত লেখা। কেউ কেউ কপি করার জন্য অন্য…

বিমলদা চলে গেলেন অকালেই : মো. মাহবুব উল আলম

বিমলদা চলে গেলেন অকালেই : মো. মাহবুব উল আলম বিমলদা চলে গেলেন। বিমলদা মানে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের জগতে অতি পরিচিত একটি নাম- বিমলেন্দু বড়ুয়া। আমার শ্রদ্ধাভাজন বিমলদা। আমাদের অনেকের বিমল বাবু, কারও কারও-বা বড়ুয়াবাবু, বিমলদা চলে গেলেন অকালেই। হ্যাঁ! অকালে নয়তো কী? জলজ্যান্ত মানুষটা জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে রাজধানী ঢাকায় একটু হাঁটছিলেন। ঘাতক গাড়ি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিল। হুঁশ হারালেন। হাসপাতালে নেওয়া হল। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া হুঁশ আর…

অমলেন্দু বড়ুয়া : আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে : ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

অমলেন্দু বড়ুয়াঃ আনন্দলোকে মঙ্গলালোকেঅমলেন্দু বড়ুয়াঃ আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে ....১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি মরনের ফুল বড় হয়ে ফোঁটে জীবনের উদ্যানে... : কবি মোহিত লাল মজুমদারের কথাটি যেন সত্য প্রমাণ করলেন অমলেন্দু বড়ুয়া। ফুল নিজের জন্য ফোটেনা। সবাইকে মুগ্ধ করার জন্য, সবার কাছে সৌরভ বিলানোর জন্য তার ফোটন। তাঁর সেই অভিযাত্রা আমাদেও ব্যথিত কওে, শোকাবিভূত করে। তাঁকে হারিয়ে আমাদেও অন্তও কেবল ধ্বনিত হচ্ছে রাজ্য তাওে রাখিল না, প্রিয়া তাওে ছেড়ে দিল পথ, রোধিলনা সমুদ্র…

সংগীতগুরু উস্তাদ প্রয়াত নীরদ বরণ বড়ুয়া ও আমার স্মৃতিচারণ : রুমি বড়ুয়া

সংগীতগুরু উস্তাদ প্রয়াত নীরদ বরণ বড়ুয়া ও আমার স্মৃতিচারণ : রুমি বড়ুয়া সংগীতগুরু উস্তাদ প্রয়াত নীরদ বরণ বড়ুয়া স্মরণে চট্টগ্রামের সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ এর জাতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলন ও আমার স্মৃতিচারণ। শ্রদ্ধেয় উস্তাদ প্রয়াত নীরদ বরণ বড়ুয়া মহাশয়ের আমি একজন ছাত্রী ছিলাম কথাটি ভাবতে গিয়ে আমার মনে হল আমার মতো এতো গর্ব আর কার থাকতে পারে। উস্তাদজী ভারতে শাস্ত্রীয় সংগীতে সংগীত বিশারদ উপাধিতে ভূষিত হয়ে দেশে ফিরেছিলেন ১৯৬৫ সালে।…

আশিতম বর্ষে ছড়া সম্রাট সুকুমার বড়ুয়া

আশিতম বর্ষে ছড়া সম্রাট সুকুমার বড়ুয়া সুকুমার বড়ুয়াবাংলাদেশের ছড়াসাহিত্যে একজন প্রবাদ-প্রতিম ব্যক্তিত্ব। সুদীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে শুধু ছড়া লিখে তিনি হয়েছে এ যাবতকালের সবচাইতে জনপ্রিয় ছড়াকার; হয়েছেন ‘ছড়ারাজ’, ‘ছড়াশিল্পী’, ‘ছড়াসম্রাট’ নানা অভিধায় অভিষিক্ত। সহজ-সরল কথায় ও ভাষায়, ছন্দ-অন্ত্যমিলের অপূর্ব সমন্বয়ে তাঁর ছড়া যেমন শিশুতোষ, উদ্ভট, ব্যঙ্গাত্মক, হাস্যরসাত্মক, কৌতূহলোদ্দীপক, নৈতিক শিক্ষামূলক তেমনি গণমুখী, রাজনৈতিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ। প্রতিভাবান এই ছড়াকারের জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজান থানার মধ্যম…

আলোর দিশারী সদ্ধর্মকীর্তি সংঘরাজ অভয়তিষ্য মহাস্থবির

আলোর দিশারী সদ্ধর্মকীর্তি সংঘরাজ অভয়তিষ্য মহাস্থবির বৌদ্ধ শাস্ত্র বলে, বোধিসন্ধানীগণ নাকি এই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা ধরণীতেই বারংবার জন্ম নেন তাঁদের পারমী পরিপূরণের জন্য। হয়তো তেমনি অভিলাষ নিয়েই এই ধরামাঝে জন্মেছিলেন তথাগত সম্বুদ্ধের সার্থক অনুগামী আলোর দিশারী সদ্ধর্মকীর্তি সংঘরাজ অভয়তিষ্য মহাস্থবির। আবির্ভাব ও বালককাল: বাঁশখালী, প্রাচ্যের রাণী খ্যাত চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণে অবস্থিত একটি জনপদ। সেই জনপদের অন্তর্গত তৎকালীন সময়ের ছয়টি বৌদ্ধ পল্লীর(শীলকূপ, জলদী, দক্ষিণ জলদী, পুুইঁছড়ি, কাহারঘোনা-মিন্জিরীতলা ও অধুনালুপ্ত চাম্বল)…

তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি যে মহৎ : সাহিত্য ভাষ্কর বিমলেন্দু বড়ুয়ার জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি যে মহৎসাহিত্য ভাষ্কর বিমলেন্দু বড়ুয়ার জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি আলোক ছড়ায় আলোকিত জনউন্নত শির কর্মেতোমার অবদান কতই মহানঅনুভব করি মর্মে। যদি বলা হয় আকাশ কত বড় কিংবা সমুদ্র কত বিশাল, তাহলে তার উত্তর দেয়া যেমন কঠিন, তেমনি মানুষ হিসেবে তিনি কত বড় কিংবা কত মহৎ- এক কথায় তার উত্তর দেয়া সত্যি দুরূহ। বিশালতার পরিমাপ কী দিয়ে হবে? আকাশের সীমানা দিয়ে কিংবা সমুদ্রের দৈর্ঘ্য দিয়ে? এর উত্তর আসলে কারও…

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-২ (শেষ)

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-২ (শেষ) ১৯৮১ সালে সেয়াদ পা-অক বনবিহারের অধ্যক্ষ অগগপঞঞা ভান্তের কাছ থেকে একটি বার্তা পান। সেখানকার অধ্যক্ষ মুমূর্ষ অবস্থায় আছেন এবং আচিন্ন ভান্তেকে তাঁর বিহারের দেখাশোনার ভার নিতে বলেছেন। পাঁচ দিন পরে অগগপঞঞা ভান্তে মারা যান। তখন বিহারের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে আচিন্ন ভান্তে পরিচিত হন “পা-অক তয়া সেয়াদ” নামে। যদিও তিনি বিহার পরিচালনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তবে তিনি বেশির ভাগ সময় কাটাতেন নির্জনে, বিহারের উত্তরের জঙ্গলের অংশে একটি…

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-১

পা-অক সেয়াদ, পর্ব-১ আচিন্ন ভান্তে, সাধারণত উনাকে 'পা-অক সেয়াদ' বা পা-অক তয়া সেয়াদ বলা হয়। তিনি বর্তমানে মায়ানমারের মন প্রদেশের (Mon State) পা-অক বনবিহারের অধ্যক্ষ এবং প্রধান গুরু হিসেবে আছেন। পা-অক সেয়াদের জন্ম ১৯৩৪ সালে, মায়ানমারের রেঙ্গুনের প্রায় ১০০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে হিনথদ নামের একটি শহরের লেই-চোং নামের গ্রামে। ১৯৪৪ সালে ১০ বছর বয়সে তিনি তাঁর গ্রামের একটি বিহারে শ্রামণ হিসেবে প্রব্রজ্যা নেন। পরের এক দশক ধরে তিনি সাধারণ পড়ুয়া শ্রামণ…

এই পুরস্কার বাংলাদেশের নোবেল: সুজন বড়ুয়া

এই পুরস্কার বাংলাদেশের নোবেল: সুজন বড়ুয়া এ বছর শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন শিশুসাহিত্যিক সুজন বড়ুয়া। গত ১লা ফেব্রুয়ারী বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরস্কার গ্রহন করেন তিনি। পুরস্কার নেয়ার পর ক্রেস্ট হাতে মেলা প্রাঙ্গনে বেশ উচ্ছাসিত দেখা গেল সুজন বড়ুয়াকে। আনন্দ আলো বইমেলা প্রতিদিনকে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এই মূহুর্তে অনুভূতি অসাধারণ। বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এবছর শিশু…

বিমলেন্দু বড়ুয়াকে শ্রদ্ধা নিবেদন : আনিসুজ্জামান

বিমলেন্দু বড়ুয়াকে শ্রদ্ধা নিবেদন : আনিসুজ্জামান আমি যখন চট্টগ্রামে ছিলাম তখন বিমলেন্দু বড়ুয়াকে চিনতাম-মূলত দৈনিক আজাদীর সাংবাদিক হিসেবে। পত্রপত্রিকায় তাঁর গদ্য পদ্য রচনাও দেখেছি, কিন্তু অভিনিবেশ-সহকারে তাঁর রচনাবলি অনুসরণ করার সুযোগ আমার হয়নি। তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর কনিষ্ঠা কন্যা অন্তি বড়ুয়ার সূত্রে তাঁর বইপত্র দেখার সুযোগ হলো। যে মানুষটিকে আমি একভাবে জানতাম, তাঁর অন্যরকম পরিচয় উদঘাটিত হতে লাগ। বিমলেন্দু বড়ুয়ার অপ্রকাশিত আত্মজীবনী ‘জীবন যেখানে যেমন’র যে অংশটি স্মরণপত্রে মুদ্রিত হয়েছে, তা…

বিমলদা চলে গেলেন অকালেই

বিমলদা চলে গেলেন অকালেই বিমলদা চলে গেলেন। বিমলদা মানে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের জগতে অতি পরিচিত একটি নাম- বিমলেন্দু বড়ুয়া। আমার শ্রদ্ধাভাজন বিমলদা। আমাদের অনেকের বিমল বাবু, কারও কারও-বা বড়ুয়াবাবু, বিমলদা চলে গেলেন অকালেই। হ্যাঁ! অকালে নয়তো কী? জলজ্যান্ত মানুষটা জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে রাজধানী ঢাকায় একটু হাঁটছিলেন। ঘাতক গাড়ি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিল। হুঁশ হারালেন। হাসপাতালে নেওয়া হল। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া হুঁশ আর ফিরে এল না। ২০০৭…

অমলেন্দু বড়ুয়াঃ আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে

অমলেন্দু বড়ুয়াঃ আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে .... ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি মরনের ফুল বড় হয়ে ফোঁটে জীবনের উদ্যানে... : কবি মোহিত লাল মজুমদারের কথাটি যেন সত্য প্রমাণ করলেন অমলেন্দু বড়ুয়া। ফুল নিজের জন্য ফোটেনা। সবাইকে মুগ্ধ করার জন্য, সবার কাছে সৌরভ বিলানোর জন্য তার ফোটন। তাঁর সেই অভিযাত্রা আমাদেও ব্যথিত কওে, শোকাবিভূত করে। তাঁকে হারিয়ে আমাদেও অন্তও কেবল ধ্বনিত হচ্ছে রাজ্য তাওে রাখিল না, প্রিয়া তাওে ছেড়ে দিল পথ, রোধিলনা সমুদ্র পর্বত। যাঁর…