২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১২ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭ইংরেজী
বৃহস্পতিবার, 25 সেপ্টেম্বর 2014 12:39

বৌদ্ধ ধর্ম --- দুঃখ মুক্তির পথ নির্দেশনা

লিখেছেনঃ ইলা মুৎসুদ্দী

বৌদ্ধ ধর্ম --- দুঃখ মুক্তির পথ নির্দেশনা

মহাকারুণিক তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ যে ধর্ম দেশনা করে গেছেন, তা কেমন ধর্ম? বৌদ্ধ ধর্ম অকালিকো ধর্ম। অকালিকো অর্থ --- এই ধর্মটি এমন এক ধর্ম --- পৃথিবীর সব জায়গায়, সব দেশে, সব স্থানে একই রকম। সব রকম মানুষের কাছে, সে ধনী বা গরীব, ছেলে বা মেয়ে সবার কাছে একই রকম। শুধু মানুষ নয় সব রকম প্রাণীর কাছে একই রকম। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে এর কোন পরিবর্তন নেই। হাজার হাজার বছর আগে এই ধর্ম যেরকম ফল দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দেবে। পরিবর্তনহীন একই রকমের যে গুণ একে বলা হয় সত্য। বৌদ্ধ ধর্ম প্রকৃতপক্ষে সত্য ধর্ম।
আমরা ভগবান বুদ্ধ কেন বলি? ঃ ভগবান বুদ্ধ বলি কারণ যিনি কল্প-কল্পান্তর পারমী পূরণ করার পর অর্থাৎ জন্ম-জন্মান্তর দশটা পারমী, দশটা উপ-পারমী, দশটা পরমার্থ পারমী পূরণ করার পর জগৎবাসীকে দুঃখ থেকে মুক্ত করার জন্য এই ধরণীতে জন্ম নিয়েছিলেন। নিজস্ব প্রজ্ঞার আলোকে (গুরুবিহীন) চতুরার্য সত্যকে দর্শন করে, অরহত্ত্ব মার্গফলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন এবং ছয়টি গুণ সম্পন্ন ধর্মকে একত্রিশটি লোকভূমির সকল মনুষ্য-দেব-ব্রক্ষ্মার মুক্তির জন্য মৈত্রীপূর্ণ চিত্তে বিতরণ করে গেছেন, শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তিনি অরহং প্রভৃতি নয়টি গুণ সহ অসংখ্য গুণের অধিকারী, মনুষ্য-দেব-ব্রক্ষ্মার গুরু মুক্তিদাতা --- তাই তিনি বুদ্ধ ভগবান।

ধর্ম কাকে বলে? ঃ ভগবান বুদ্ধ তাঁর সাধনা লব্ধ সত্য প্রচার করে গেছেন। আমাদের প্রাত্যাহিক ভাষায় একে বলা হয় ধর্ম। ধর্ম কেন বলা হয়? ঃ ভগবান বুদ্ধের যে সকল আদেশ, অনুশাসন বা শিক্ষা যথাযথভাবে আচরণ ও প্রতিপালন করলে, চারটি অপায় তির্যক লোক, প্রেত লোক, অসুর লোক, নরক লোক থেকে সত্ত্বগণ মুক্তি পেতে পারে, এমন ক্ষমতা, এমন গুণ, যে শিক্ষায় বর্তমান এমন সত্য শিক্ষাকে ধর্ম বলে।

অপায়মুক্ত করে কে? ঃ যিনি এই ধর্মকে আচরণ করবেন, এই সত্য (ধর্মের গুণ) তাঁকে রক্ষা করবে।
রক্ষা কর্তা কে? ঃ রক্ষা করে ধর্ম। কাকে করে? যিনি আচরণ করেন। অর্থাৎ যিনি ধর্ম আচরণ করেন ধর্মও তাকে রক্ষা করে।
যদি আমরা মিথ্যা কথা বলি, মিথ্যা কথা বলার ফল আমাদের ভোগ করতে হবে, তেমনি যদি সত্য কথা বলি সত্য কথা বলার সুফল আমরা ভোগ করব। এভাবে যারা সত্য আচরণ করে, তারা কখনও দুর্গতিতে যাবে না। সত্যই তাদের রক্ষাকারী। আর যারা মিথ্যা আচরণ করবে তাদের দুর্গতি হবেই। যেমন কর্ম তেমন ফল। ইহা জাগতিক প্রকৃতির নিয়ম।
বন্দনা বা পূজা করি কেন? ঃ বৌদ্ধরা বুদ্ধগুণ শরণ করার জন্য বুদ্ধ মূর্তি পূজা করে থাকেন। ধর্মের ও বুদ্ধের শিক্ষা মানবো, আচরণ করবো, এভাবে নির্বাণকে সন্ধান করবো।--- প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে সত্যকে অন্তরে ধারণ করার জন্য শ্রদ্ধা জানাই। সত্যকে সম্মান করি। নমষ্কার করি।

সংঘ বন্দনা কেন করি? ঃ ভিক্ষু সংঘকে বন্দনা করি কেন? আমরা অনেক সময় আমরা বলে থাকি, চীবরকে সম্মান করে ভিক্ষুদের বন্দনা করি। আসলে এটা সঠিক নয়। ভগবান বুদ্ধের অবর্তমানে ভগবান বুদ্ধের এই ধর্মকে, বহু ত্যাগ তিতিক্ষা করে রক্ষা করেছিলেন, এখনো করছেন, ভগবান বুদ্ধের সেই শ্রাবকগণ, বুদ্ধ পুত্র ভিক্ষুগণ। ভগবান বুদ্ধের পরিনির্বাণের সাথে সাথে ত্রিপিটক অক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়নি। আরো ২০০ বৎসর পরে লিপিবদ্ধ হয়েছিলো। এই দুইশত বৎসর ভিক্ষু সংঘগণ কণ্ঠস্থ করে রেখেছিলেন ৮৪ হাজার ধর্মষ্কন্ধকে। তাঁদের এ মহান ত্যাগ তিতিক্ষার কথা চিন্তা করে তাঁদের সে বীর্য, তাঁদের সে মহান আত্মোৎসর্গের কারণে তাঁদের সেই গুণকে আমরা শরণ করি। সংঘং শরণং গচ্ছামি বলি। তাছাড়া ভিক্ষু সংঘের প্রকৃত ৯টি গুণ আছে। যথা ঃ সুপ্পটিপন্নো ভগবতো সাবক সংঘো, ওজুপ্পটিপন্নো ভগবতো সাবক সংঘো, ঞায়প্পটিপন্নো ভগবতো সাবক সংঘো, সামীচিপ্পটিপ্পন্নো ভগবতো সাবক সংঘো, য়দিদং চত্তারি পুরিসয়ুগানি অট্ঠপুরিসপুগগ্লা এস ভগবতো সাবক সংঘো, আহুনেয়্যো, পাহুনেয়্যো, দাক্খিনেয়্যো, অঞ্জলি করণীয়্যো অনুত্তর পুঞ্ঞকখেত্তং লোকস্সা’তি। তাঁরাই সেই ব্যক্তি যাঁরা ধর্মকে এখনো রক্ষা করে চলেছেন এবং অতুলনীয় ৯টি গুণের অধিকারী।
বৌদ্ধ ধর্ম এমন এক ধর্ম যা ভয় থেকে সৃষ্ট ধর্ম নয়। শাস্তি পাওয়ার ভয়ে, পুরষ্কার পাওয়ার লোভে সত্য পালন করার ধর্ম নয়। আমাদের ধর্ম বিশ্বাস করে, আমি যা করবো, আমি তার ফল পাবো। ভগবান বুদ্ধকে মানি না বলে, ছোয়াইং দিই না বলে, পূজা করি না বলে ভগবান বুদ্ধ রাগ করে কষ্ট বা শাস্তি কোনদিন দেন না। বুদ্ধ বলেছেন ”আমাকে বন্দনা বা পূজা করে না বলে আমি উদ্ধার করবো না এমন নয়। বলা হয়েছে বুদ্ধ, ধর্ম, সংঘ (ত্রিরতœ) শরণ, বন্দনা বা পূজা করলে সর্ব প্রকারের দুঃখ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই বুদ্ধ বলেছেন --- যে ধর্মকে মানবে, সে ভগবান বুদ্ধকে মানবে, যে ধর্মকে দেখবে সে ভগবান বুদ্ধকে দেখবে।

বৌদ্ধ ধর্মে ভক্তি শব্দটার পরিবর্তে বলা হয় সদ্ধা। সদ্ধা পালি শব্দ যার অর্থ বাংলায় শ্রদ্ধা।
শ্রদ্ধার লক্ষণ কি? ঃ যার অন্তরে শ্রদ্ধা উৎপন্ন হয় তার চিত্ত বিমল বিশুদ্ধ হয়। তাই যাহা দ্বারা চিত্ত বিমল, বিশুদ্ধ হয় তাহাই শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা ভগবানের আশীর্বাদ নয়, এটা সম্পূর্ণ নিজস্ব অন্তর থেকে সৃষ্ট।
মণি সদৃশ শ্রদ্ধা ঃ শ্রদ্ধা যার অন্তরে জাগ্রত হবে, তার অন্তরের ক্লেশ, দৃঃশ্চিন্তা, লোভ, দ্বেষ, মোহ ক্ষণিকের জন্য হলেও দূরীভূত হয়। ইহা শ্রদ্ধার একটি গুণ। শ্রদ্ধা জাগলে অন্তরে প্রশান্তিভাব জাগ্রত হয়। শ্রদ্ধা উৎপন্ন হওয়ার সাথে সাথে অন্তর শীতল হয়ে যায়। আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করা শ্রদ্ধার আরেক লক্ষণ।
শ্রদ্ধার আরেকটি লক্ষণ আছে --- যার শ্রদ্ধা জাগে, তার অন্তর বিষন্ন বা বিষাদময় থাকে না। মলিনতা দূর হয়ে যায়।
শ্রদ্ধার পাত্র কোনটি? ঃ শ্রদ্ধার পাত্র দু প্রকার।

১। বহিঃভাগে ত্রিরত্ন
২। অর্ন্তভাগে আমাদের চিত্ত চৈতসিক।
চেতনাই কর্ম ঃ বুদ্ধ বলেছেন, চেতনাকে আমি কর্ম বলি। কর্ম তিনটি দ্বারে সম্পন্ন হয়।
১। মুখ দ্বারে বাচনিক কর্ম।
২। হাত পা নাড়িয়ে শারীরিক দ্বারে কায়িক কর্ম।
৩। মনে মনে মানসিক দ্বারে মানসিক কর্ম।

তাই কায়িক, মানসিক, বাচনিক এই ত্রিদ্বারে আমরা সব সময় কাজ বা কর্ম করি। এই কায়িক, মানসিক, বাচনিক কর্ম নামক নৌকায় যদি কোন ছিদ্র থাকে তাহলে লোভ, দ্বেষ এবং মোহ নামক পানি ঢুকবে। তাই আমাদের কর্ম নামক নৌকায় কোন ছিদ্র থাকতে পারবে না। নৌকায় ছিদ্র থাকলে অকুশল ক্লেশ রাশি ঢুকলে নৌকাটি ডুবে যাবে। কূলে আর পৌঁছানো যাবে না।
কর্মফল ঃ প্রত্যেক মানুষ অতীতের কর্মকে ভিত্তি করে জন্ম নিয়েছেন, বর্তমান কর্মকে ভিত্তি করে বর্তমানে বেঁচে আছেন। আবার এই কর্মকে ভিত্তি করেই, আগামী জন্ম প্রাপ্ত হবেন। সুতরাং আপনি এই জন্মে যা করছেন, আগামী জন্মের জন্য সেটা হেতু, সেটার ফল আগামীতে দেখা যাবে। তাই আমাদের কর্ম হতে হবে নিচ্ছিদ্র। যিনি অতীত জন্মে দান করেছেন, এই জন্মে ধনী হয়েছেন। যিনি অন্যের জিনিসপত্র চুরি করেছেন, এই জন্মে গরীব হয়েছেন। যিনি মিথ্যা কথা বলেছেন, এই জন্মে তাকে কেউ ভালোবাসে না, নিন্দনীয় ব্যক্তি হয়েছেন। যে লোক নেশা করেছে, এই জন্মে সে বোকা এবং পাগল হয়েছেন।

কর্মই সৃষ্টিকর্তা ঃ আমরা অনেকে প্রায় সময় বলে থাকি, ভগবান কেন আমাকে অন্ধ বানিয়েছে, কেন আমাকে পঙ্গু বানিয়েছে? বৌদ্ধ ধর্ম মতে কর্মই আমাদের সৃষ্টিকর্তা। ভগবান আমাদেরকে বানাননি। আমরা যেরকম কর্ম করে এসেছি, সেই কর্মের ফল অনুপাতে আমাদের সৃষ্টি। সুখ, দুঃখ দানকারী কোন শক্তিও নেই, দুঃখ কষ্ট ভোগকারী কোন বস্তু নেই। শুধুমাত্র চেতনা ও বেদনা নামক পরমার্থ দুটো ধর্ম আছে। যেমন কর্ম তেমন ফল।

পাঁচটি অঙ্গ পরিপূর্ণ হতে হবে ঃ কর্মে যদি ছিদ্র থাকে তাহলে ডুবে যাওয়া নিশ্চিত। তাই চেতনা হতে হবে সুন্দর। শীল পরিপূর্ণ হতে হবে। শীলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, শীলে দাঁড়িয়ে যা কিছু করা। শীল হচ্ছে ভিত্তি প্রস্তরের মতো। সাথে প্রয়োজন গভীর শ্রদ্ধা। আপনি যতোই শীলবান হোন, আপনার শ্রদ্ধা আছে, বীর্য না থাকলে ধর্মবাণী শুনতেও অসহ্য লাগতে পারে। সময় কাল যেমন সবসময় প্রবাহমান। আপনি যদি সেই তালে চলেন তখনই আপনি স্থির। তার চেয়ে একটু দ্রুত হলে আপনি এগিয়ে যাবেন। তাই প্রয়োজন বীর্য। বীর্য ধারণ না করলে সামনে এগুনো খুবই কঠিন। শ্রদ্ধার সাথে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। প্রজ্ঞাবিহীন শ্রদ্ধা মূল্যহীন। তেমনি প্রজ্ঞাহীন বীর্য ও শীল মূল্যহীন হয়ে থাকে।

এভাবে চেতনার নৌকায় চড়ে, পা সদৃশ শীলে দাঁড়িয়ে, দাঁড় সদৃশ বীর্যকে ধারণ করে, হাত সদৃশ শ্রদ্ধায়, প্রজ্ঞা সদৃশ হালকে ধরে, সমুদ্র নামক ভব সংসার পাড়ি দিয়ে নির্বাণে পৌঁছতে পারবেন। কোন সৃষ্টিকর্তা এসে হাত ধরে পার করাবে না। আমার কর্মই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে কিংবা পেছনে ফেলে দিবে।

প্রার্থনায় ফল নেই ঃ যদি বলি হে বুদ্ধ আমাকে পার করে দাও, আমার অমুক আশা পরিপূর্ণ করে দাও। শুধুমাত্র পুণ্যকর্ম করলেই এবং সেই পুণ্যের কাছে প্রার্থনা করলে ফল পাওয়া যাবে। পুণ্য না করে বুদ্ধকে সারাদিন বললেও কিছু হবে না। তাই প্রার্থনা না করে পুণ্যকর্ম করুন সকলে। যা চাইবেন পুণ্যের কাছে চাইবেন। তাহলে সফল হবেন।

বৌদ্ধ ধর্ম কর্মবাদী ধর্ম ঃ কাজ করা মানে কর্ম করা। কারো উপর নির্ভরশীল নয়। কেউ খুশি হয়ে আমাকে নির্বাণে নিয়ে যেতে পারবে না, আবার কেউ রাগ করে আমাকে নরকে ফেলতে পারবে না। বুদ্ধ বলেছেন ---নিজের মধ্যে নিজেই তুমি আশ্রয় গ্রহণ করো। ভগবান বুদ্ধ বলেছেন মুক্তিকামীরা যেন অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের উপর যেন নির্ভরশীল হয়। কারণ নিজেরাই নিজেদের উদ্ধারকর্তা। নিজেকে নিজে আত্মবিশ্বাসী করো, তাহলেই তুমি সবকিছুই পাবে। বৌদ্ধ ধর্ম আত্মবিশ্বাসী, আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ধর্ম।

পঞ্চবল বর্ধন ঃ আমার মধ্যে পাঁচটি শক্তি বা বল আছে। যেমন ঃ শ্রদ্ধা, বীর্য, স্মৃতি, সমাধি ও প্রজ্ঞা। এগুলোকে যদি আমি জাগ্রত ও বর্ধিত করি তাহলে কারো সাহায্য ব্যতিরেকেই আমি কূলে পৌঁছতে পারবো। তাই বৌদ্ধ ধর্মের মূল শিক্ষা হলো কর্ম করা। তাই বৌদ্ধরা কর্মবাদী এবং কর্মবাদকে বিশ্বাস করে।

এজন্য বৌদ্ধ ধর্ম সেরকম সৃষ্টিকর্তা, ভগবান, সর্বশক্তিমান কাউকেই বিশ্বাস করে না। সর্বশক্তিমান কেউ যদি হয়ে থাকে, তাহলে হবে এই পাঁচটি বল যা আমার নিজম্ব।
জগৎ প্রকৃতির কতোগুলো নিয়ম আছে। এই নিয়মের বাইরে কিছু হয় না। আপনার অন্তরে যদি কুশল পুণ্যময় চেতনা জাগে, আপনি সুখ বেদনা পাবেন। আপনি সুখ লাভ করবেন। আর আপনার অন্তরে যদি অকুশল পাপ চেতনা জাগে, আপনি দুঃখ বেদনা পাবেন। ইহাই চিরন্তন নিয়ম। ভগবান বুদ্ধ এই চিরন্তন ধর্মটাই প্রচার করেছেন।
তাই বৌদ্ধ ধর্ম এমন একটি ধর্ম, এটা একটা সঠিক জীবন বিধান। কেমন জীবন বিধান ? শান্তি, শান্তি, শান্তির জীবন বিধান। শান্তি পাওয়ার উপায়, পথ বা মার্গ। সকল প্রকার দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য জীবন বিধান।

অর্থাৎ বৌদ্ধ ধর্ম হলো দুঃখ মুক্তির পথ-নির্দেশনার একটি বিধান। বৌদ্ধ ধর্ম শান্তির পথ নির্দেশিকা।
সকলে সুখী হোন
সকলে দুঃখমুক্ত হোন।

Source : Soshanvumi Meditation Practiciing Center.Karaiyanagor

Additional Info

  • Image: Image