২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ৯ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ শুক্রবার, ২৩ জুন ২০১৭ইংরেজী
বৃহস্পতিবার, 10 এপ্রিল 2014 00:18

রবীন্দ্র মনন ও সাহিত্যে বৌদ্ধ চেতনা (১০)

লিখেছেনঃ বিজন গোলদার

রবীন্দ্র মনন ও সাহিত্যে বৌদ্ধ চেতনা

বিজন গোলদার
(পূর্ব প্রকাশের পর)

আনন্দর একটি বাক্যে তার অন্তর্লোকের সকল দরজা খুলে গেলো। চিত্তালোকে প্রবেশ করলো মুক্তালোকের বাতাস। সে বাতাস অন্তর্লোকে দিগ্বিদিকে ছোটে। জীবনে সে কেবলমাত্র ভিক্ষুর কাছে জানলো, সে মানুষ এবং সকল জলই তীর্থজল যা তাপতকে সি্নগ্ধ করে, তৃপ্ত করে তৃষিতকে। প্রকৃতির হৃদয়ে বারবার অনুরণিত হয় জল দাও। একটি বাক্যের বিশালতার পরিধি কতো অসামান্য। কেবল এক গন্ডুষ জল নিলেন আমার হাত থেকে, অগাধ অসীম হল সেই জল। সাত সমুদ্র এক হয়ে গেল সেই জলে, ডুবে গেল আমার কুল, ধুয়ে গেল আমার জন্ম। জলটা গন্ডুষ ভেদ করে পায়ের ধুলোর এক কণা নিতেই তার কেঁপে ওঠে বুক। জলটা আনন্দর পদস্পর্শে ছড়িয়ে পড়ে দূর দূরান্তে, সীমা হতে অসীমের অনন্তে। সে খুঁজে পায় নিজেকে মানবের অংশে। বিদ্রোহিনীর কণ্ঠে বাজে মানবের বংশ আমার, মানবের রক্ত আমর নাড়ীতে।

বৌদ্ধভিক্ষু আনন্দের তৃষ্ণা মেটাতেই চন্ডালিকা প্রকৃতির জলদান। আনন্দর কথায় থাকে মুক্তির বারতা :

যেই মানব আমি সেই মানব তুমি কন্যা

সেই বরি তীর্থবারি যাহা তৃপ্ত করে তৃষিতেরে।

তৃষিতেরে জলদানে জল দাও শব্দটি তখন কোন শব্দ থাকে না। প্রকৃতির উপলব্ধিতে তখন ভর করে:

ও গো কি আনন্দ কি আনন্দ কী পরম মুক্তি এ মুক্তি সমস্ত আবদ্ধ সমাজের বন্দিদশা থেকে মুক্তি, জন্ম জন্মান্তরের কালিমা তার ধুয়েমুছে যায়। অবশ্য ব্রাহ্মণধর্ম বলে_ তার ধিক্কৃত অপমানিত জীবন ন্যায়সঙ্গত। পূর্বজন্মে সে গুরুতর কোন পাপ করেছিলো, ইহজীবনে তারই শাস্তি। শাস্তি পূর্ণ হলে এবং চন্ডালজন্মে তার পুণ্যকর্ম যথোপযুক্ত হলে পরজন্মে তার উচ্চবর্ণে জন্ম হবে। তৃষ্ণার্তকে জলদান, ক্ষুধার্তকে অন্নদান_ এতো নিঃসন্দেহে অতিশয় পুণ্যকর্ম, এ হেন কর্মের পুণ্যের অধিকারী নই কেন আমি? চ-ালিকার তেজোদীপ্ত প্রতিবাদে থাকে: আমার পূর্বজন্ম বলে কিছু ছিল, সে জন্মে আমি অনেক পাপ করেছিলাম_ এ সব তোমাদের বানানো কথা, আমি তাতে ভুলবার পাত্রী নই। যে-ধর্ম অপমান করে, সে ধর্ম মিথ্যা। দেবদ্রোহিনীকে এ কথাটা কি জানানোর জন্যই এসেছিলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু আনন্দ? তার মার অবশ্য এতোসব কিছুই মনে হয়নি। তার কথায়_ তাদের এ সব কথা থাকে কানে শোনাবার, কাজে খাটাবার নয়। যে কুলে তার জন্ম তার পঙ্কিলতা থেকে বেরোনোর ক্ষমতায় তারা সমর্থহীন।

প্রকৃতি নিঃশব্দ শূন্যতায় এবং সমাজের বদ্ধ জলাশয়ের আবদ্ধতায় হাজারো শব্দের মাঝে মাত্র একটি শব্দই শোনে 'জল দাও'। এখানেই তার নবজন্ম। নবজন্মে আশ্রিতা চন্ডালকন্যা মুক্তির যুক্তি খোঁজে। শ্রাবস্তী নগরে তৃষ্ণার্তকে জলদানের পুণ্যভোগের ফললাভঞ্চ  চন্ডালের ভাগ্যে কষ্মিন কালেও সম্ভব নয়। অথচ সকলকে ছেড়ে সৌম্যদর্শন বৌদ্ধ ভিক্ষু তার কাছেই এসে বললো_ 'জল দাও'। তবে তাকে নবজন্ম দিয়ে কেন তার চলে যাওয়া। শুধু ধর্ম উপদেশ নয়। তার হৃদয়কে স্পর্শ করে সে তার পাশে বসুক, শুধু নিমেষের দর্শনে বদ্ধ জলাশয়ে ঢেউ তুলে বদ্ধতা ঘোচে না। তার পাশে বসে তার সকল লাঞ্ছনা, বঞ্চনা ও শেকলের শক্ত বাঁধন ছিঁড়ে ফেলে মুক্ত করা, তবেই তো মুক্তি। দেখুক সবাই আমার স্পর্ধা। গৌরব করে বলতে চাই, আমি তোমার সেবিকা; নইলে সংসারে সবারই পায়ের কাছে চিরদিন বাঁধা পড়ে থাকতে হবে দাসী হয়ে। অথচ রাজপুত্র মৃগয়া করতে এসে তার রূপে মজলো, নিয়ে যেতে চাইলো রাজবাড়িতে। প্রকৃতি ঘৃণাভরে সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। মায়ের জিজ্ঞাসায় তার জবাব_ ভুলেছিল না তো কী। ভুলেই ছিল যে আমি মানুষ। পশু মারতে বেরিয়েছিল, চোখে ঠেকে পশুকেই, তাকেই চায় বাঁধতে সোনার শিকলে। রাজপুত্রের তৃষ্ণায় সে শুধু তারই
ক্ষুধা। আনন্দকে জল দানে তাকে দেয় মানুষকে তৃষ্ণা মেটাবার অধিকার। যে জলে ব্রত পূণর্ হয়, সে জল তো দুষপ্রাপ্য, সকল তীর্থেও দুর্লভ। সৌম্যকান্তি সে ভিক্ষুই তাকে বলে বনবাসের গোড়াতেই জানকী এই জলেই স্নান করেছিলেন, সে জল তুলে এনেছিল কুহক চন্ডাল। সেই অবধি নেচে উঠেছে আমার মন, গভীর কণ্ঠে শুনতে পাচ্ছি দিনরাত_ দাও জল, দাও জল। আলোতে জ্বলজ্বল করা মাত্র দুটি শব্দে যুগ যুগান্তরের ঢেকে রাখা তার অন্তরাত্মা জেগে ওঠে। তিনিই তাকে দিয়েছেন দাসীত্বের হীনতা থেকে সেবিকার মহিমার আসন, এতেই তার গৌরব। ভিক্ষুর রূপে তার কামনার গন্ধ অনুপস্থিত। তার দুটি শব্দেই প্রকৃতি চেনে নিজেকে, জানে তার আত্মাকে, পৌঁছায় সে নবজন্মের উত্তাল আনন্দে। তার যুগ যুগ অপেক্ষার পালা হয়তো এ জন্মেই শেষ হবে। এ জন্যেই সে শোনে বদ্ধ দরজার অর্গল খোলার গান শুধুমাত্র দুটি শব্দ জল দাও। প্রকৃতি তাকে পেতে চায়। মার মন্ত্রবিদ্যার আকর্ষণে আনন্দকে টেনে এনে তার অন্তরের স্পর্শে জন্ম জন্মান্তরের দায়মুক্তি চায়।

আনন্দরা অন্তরের শুদ্ধতায় পবিত্র আত্মার পূর্ণ প্রকাশে মানুষকে কাছে টেনে তার হৃদয় জমিনের অন্তস্থলকে ভরে তোলে শুদ্ধতায়; তারমতো পুণ্যলোকে বিচরিত মানুষকে বশীকরণের মন্ত্রে কাছে টানার পাপবোধে প্রকৃতির মাকে করে যন্ত্রণাবিদ্ধ। মায়ের ভয় বদ্ধ জলাশয়ের আবদ্ধতায় তার জীবনযাপনের অভ্যস্থতা। প্রকৃতির বিদ্রোহ মাবনরূপী এই পশুজন্মের অভ্যস্থতা হতে শাপ মোচন। প্রকৃতির অন্তরাত্মা যখন জগৎ সমাজের কাছে থাকে অনাস্বাদিত এবং অস্পৃশ্যতার যুক্তিতে পরিত্যাজ্য, তখন মাত্র দুটি শব্দ পরমাণুবিভাজনের মতো ক্রিয়াশীল করে নিয়মের কঠোরতা ভাংগতে প্রকৃতিকে করে বিদ্রোহিনী। মন্ত্র থাকে উপলক্ষ মাত্র। তাই তো মায়ের মুখ দিয়েই কন্যার মন্ত্রোচ্চারণ।

প্রকৃতির বুকের উপর চাপা কালো পাথরটা চিরকালই চাপা ছিল। সেটাকে সরানোর মতো সাহস বৌদ্ধ ভিক্ষু আনন্দই দেখিয়েছেন। যেটা সরাতেই প্রকৃতির যুগ যুগান্তরের চাপা আবেগ ও অনুভব কেমন ফল্গু ধারার মতো বেগবান স্রোতে ভাসিয়ে নেয় কতো হাজার বছরের পুরোনো আবর্জনা। মাত্র দুটি শব্দ 'জল দাও'। সমাজ বিপ্লব ও রাষ্ট্রবিপ্লব থেকেও তা ক্রিয়াশীল। আনন্দের প্রার্থনার প্রতিক্রিয়ায় কোন রক্তক্ষরণ নয়, রক্তবন্যা নয়, হানাহানি নয়, নয় কোন হিংসার উন্মত্ততা। তবুও কি নির্ভয় উচ্চারণ 'জল দাও'। কোথা হতে ছুটে এলো এতো প্রেম, এতো দয়া। শুধু মাত্র দুটি শব্দের তেজোস্বতায় কতোকালের ভিরু সংশয় আবদ্ধ জড়মন ভরে গেলো জলে। সে জল দুকূল ছাপিয়ে তরঙ্গ তুলে ছোটে নবজন্মের উন্মাদনায়। সে তখন অফুরন্ত জলের আধার। এ জলে আনন্দকে স্নান না করালে তার পূর্ণতা কোথায়, সেজন্যেই তাকে মন্ত্রযোগে কাছে আনা। তাকে ভুলে যাওয়াতে তো আনন্দেরও অপূর্ণতা। অপূর্ণতা থেকে পূর্ণতায় পৌঁছানোই আনন্দ এবং সে আনন্দতে পৌঁছাতেই মন্ত্রযোগ।

কন্যার নবজন্মে মাতার আত্মবলিদান। আত্মবলিদান আত্মবঞ্চনা নয় নবজন্মলাভে আত্মোৎসর্গ। আনন্দের আগমনে বিদ্রোহীনীর অন্তরাত্মা জানিয়ে দেয়:

ভাঙল দরজা, ভাঙল প্রাচীর, ভাঙল আমার এ জন্মের সমস্ত মিথ্যা। ভয়ে কাঁপছে আমার মন, আনন্দে দুলছে আমার প্রাণ। ও আমার সর্বনাশ ও আমার সর্বস্ব, তুমি এসেছ_ আমার সমস্ত অপমানের চূড়ায় তোমায় বসাব, গাঁথব তোমার সিংহাসন। আমার লজ্জা দিয়ে, ভয় দিয়ে আনন্দ দিয়ে। অনুজ্জ্বল দীপ্তজ্যোতিহীন ও মস্নানমুখে নতশিরে পরাজিত আনন্দ এলেন চ-াল গৃহে। তাকে দেখে মুক্তির আনন্দে প্রকৃতি করে আত্মনিবেদন:

ক্ষমা করো, ক্ষমা করো। অসীম গ্লানি পদাঘাতে দূর কর দাও। নইলে কেমন করে আমাকে তুলে নিয়ে যাবে তোমার পুণ্যলোকে। ওগো নির্মল, পায়ে তোমার ধুলো লেগেছে, সার্থক হবে_ সেই ধুলো-লাগা। আমার মায়া-আবরণ পড়বে খসে তোমার পায়ে, ধুলো সব নেবে মুছে। জয় হোক, জয় হোক, তোমার জয় হোক।

আগে থেকে প্রেম আরাধিকার মন যেন প্রস্তুত হয়েই ছিল। নিজগুণেই সে দেবদ্রোহী ও ব্রাহ্মণ্যবাদপুষ্ট বেদভিত্তিক ভেদবাদ বিদ্রোহী সমাজদ্রোহী। মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর সম্মান 'জল দাও' একটি প্রতীকি শব্দের মধ্যেই লুক্কায়িত। এই শব্দটি খোঁজে প্রকৃতির সযত্নে লালিত মনের নিভৃতেস্থিত কোন জ্যোতির্ময় পুরুষকে। আনন্দর সাথে অকস্মাৎ মিলনের পূর্বাবস্থায় তার স্বনির্মিত প্রাচীর ঘেরা বিচ্ছেদী দহন জল দাও শব্দ দুটির বিষদগ্ধ দহনের যন্ত্রণায় কাতর করে তাকে। তবুও প্রেমোত্তীর্ণা চ-ালকন্যা শরীরকে উপেক্ষা করে হৃদয়ের গভীরে দেখলো প্রেমিকের ফিরে যাওয়া, হৃদয় বললো ওর ফিরে না যাওয়া আনন্দ ফিরে যায়। প্রেম ও মৈত্রীর বাণী 'জল দাও, দাও জল' শব্দদ্বয়ে পৃথিবীর সকল অপূর্ণতাকে পূর্ণ করে দুকূল ছাপিয়ে জোয়ার আসে। দুঃখে নয় আনন্দেই তার মুক্তি। মৃত্যু নয়, অমৃতের আশ্রয়ে তার তখন বিস্তৃতি সমাজ থেকে রাষ্ট্রে, দেশ হতে দেশান্তরে, জগৎ বিশ্বময়ে।

আনন্দ ফিরে যায়। চন্ডালকন্যা প্রকৃতি আনন্দর পুণ্যজল গ্রহণ করে প্রেম মৈত্রীর অশরীরী বাঁধনে বাঁধতে চায় সমস্ত বিশ্বকে। কবি এখানে কোন জন্মান্তরের প্রত্যাশা করেননি। অথবা আত্মমুক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর নির্বাণমুখিতার প্রয়াশ চন্ডালিকায় অনুপস্থিত। নির্বাণের মোহে কবি সর্বদাই ছিলেন মোহমুক্ত। মানবের মঙ্গলময় সত্যেই কবির বিশ্ব পরিক্রমণ। এ সত্য অন্তরের শুদ্ধতায় দেশ কালের গ-ি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়। সেখানেই বুদ্ধের মানব প্রেম কবির কাছে সত্য হয়ে আসে। ব্রাহ্মণ্যবাদের আঁধারধরে আলো জ্বেলে মানবের অন্তরের আলোকে প্রোজ্জ্বল করে কবি গেয়েছেন মানবসাম্যের জয়গান এবং কবির এ পথযাত্রায় ভিন্নভাবে অংশ নেয় অবদান সাহিত্যের মানবতা প্রেমী নরনারী। মানব বিকাশ যখন অসত্য হয়, কুৎসিৎ, বীভৎস ও অন্ধকার যখন ছেয়ে ফেলে সত্যকে; অসত্য গ্রাস করে মৌল চেতনাকে, তখনই মানবের মৌল সত্যে আস্থাশীল রবীন্দ্রনাথ আনন্দরূপমমৃতং যদ্বিভাতি সত্য, সুন্দর ও কল্যানঘনিষ্ঠ কবি ভেদহীন মানবকল্যাণ ও অন্তরের বিকাশিত আলোকের সত্যে নিজেকে স্থিত করেন। বুদ্ধ যখন সমগ্র মানবকে বাঁধেন প্রেম মৈত্রী ও করুণার বন্ধনে, তখন রবীন্দ্রনাথের মানব চেতনার মৌল সত্যে কোন প্রভেদ থাকে না। অন্তরের বিকশিত আলো আঘাত হানে বাহ্মণ্যবাদের শক্ত প্রাচীরে, শত বছরের অসত্য, কুসংস্কার ও আবর্জনা ধুয়ে মুছে পবিত্র হয়ে। বিশ্বকবি ও মহান দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ জগতের মাঝে একাই দাঁড়িয়ে সমগ্র মানব জাতিকে এগিয়ে নিতে সূত্রধরের ভূমিকা নেন ও বুদ্ধের মানবব্রতের দেখানো পথে কবির আত্মসর্মপণে থাকে স্বগত উচ্চারণ: বুদ্ধং সরণং গচ্ছামি (সমাপ্ত)

সহায়ক গ্রন্থাবলি:

১। ড. কল্যাণী শংকর ঘটক: অবদান সাহিত্য ও রবীন্দ্রনাথ পুস্তকবিপণী, কলকাতা: ১৯৯৫

২। আবু সয়ীদ আইয়ুব: পান্থজনের সখা: দেজ পাবলিশিং, কলকাতা. এপ্রিল, ২০০৬

৩। রাহুল সাংকৃত্যায়ন: বৌদ্ধ দর্শন: চিরায়ত প্রকাশন, কলকাতা, মার্চ, ১৯৯৭

৪। নন্দগোপাল সেনগুপ্ত: রবীন্দ্রনাথ ও সাম্য চিন্তা: রবীন্দ্রনাথ ও বৌদ্ধ সংস্কৃতি: সাহিত্য প্রকাশ, কলকাতা, ১৯৯১

৫। শশিভূষণ দাশগুপ্ত: বৌদ্ধধর্ম ও চর্যাগীতি ওরিয়েন্ট বুক কোম্পানী, কলকাতা: ২০০৪

৬। রবীন্দ্রনাথের চিন্তাজগৎ দর্শনচিন্তা 'রবীন্দ্ররচনা সংকলন, সম্পাদনা: সত্যেন্দ্রনাথ রায়, গ্রন্থালয় প্রাইভেট লি: কলকাতা, ফা-ুন, ১৩৯...

 ।। সমাপ্ত ।।

Additional Info

  • Image: Image