২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১২ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ রবিবার, ২৬ মার্চ ২০১৭ইংরেজী
সোমবার, 24 মার্চ 2014 03:54

রবীন্দ্র মনন ও সাহিত্যে বৌদ্ধ চেতনা (৭)

লিখেছেনঃ বিজন গোলদার

রবীন্দ্র মনন ও সাহিত্যে বৌদ্ধ চেতনা (৭)

বিজন গোলদার

(পূর্ব প্রকাশের পর)

অসীমের আনন্দে বন্ধন থেকে চিরমুক্ত তিনি। রাজা তার প্রাণের সখা। রাজার অস্তিত্ব তার কাছে সুখ-দুঃখ আনন্দ-বেদনার অতীত।

আহা তোমার সঙ্গে প্রাণের খেলা_ প্রিয় আমার ওগো প্রিয়

সুখ দুঃখ আনন্দ নিরানন্দে, সৃষ্টি, বিনাশ ও সকল ভয়ংকরকে আনন্দরূপে বরণ করে রাজার অপেক্ষায় থাকেন।

আমার সকল নিয়ে বসে আছি

সর্বনাশের আশায়।

আমি তার লাগি পথ চেয়ে আছি

পথে যে জন ভাসায়।

রাজার প্রতি এই সমর্পণেই তিনি আত্মভোলা প্রাজ্ঞ, স্থিতজ্ঞ ও সেনাপতির বেশে ভয়ংকর। চন্দ্রমার পূর্ণআলো যখন মদের ফেনার মতো চারিদিকে উপচে পড়ে, সুদর্শনা তখন উন্মনা, অধীর ও চঞ্চলতায় মাতালপ্রায়। তার চঞ্চলতায় বিহ্বলতায় চন্দমা তার দিকে সি্নত কৌতুকে কটাক্ষ করে তার সকল অপ্রকাশকে প্রকাশ করে। ওর সকল ভয়, লজ্জা, সুখ দুঃখ তখন বুকের মধ্যে নৃত্য করে, শরীরের রক্ত নাচে, জগৎ নাচে। তৃষ্ণার্ত মরুপথযাত্রী দূর থেকে বালুর ঢিঁবিতে প্রতিবিম্বিত মিথ্যা জলধারের আশায় মরীচিকার মতো যেভাবে ছোটে, সুদর্শনাও মিথ্যা জলের আশায় রাজাকে খোঁজে। রূপের নেশায় মাতোয়ারা প্রেমিকা ছদ্মবেশধারী রাজবেশী ননীর পুতুলের মতো রূপবানকে সে রাজা ভেবে ভুল রাজার প্রতি তার আত্মসমর্পণ থাকে। পদ্মপাতায় ফুল পাঠায় ছদ্মবেশী নকল রাজাকে। প্রকৃত রাজা থাকে ছদ্মবেশীর ছত্রধর। রাজা তো ছত্রধরেই রাজ্যকে শান্তি দেন।

অতঃপর ভয়ংকররূপে সত্যের প্রকাশ। সুদর্শনা জানে_ তার রাজা ভয়ংকর। ভয়ানক কালো, অতি কালো। ছদ্মবেশী সুবর্ণ অন্য রাজাদের প্ররোচনায় রাজপ্রাসাদে আগুন লাগায়। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে রাজপ্রাসাদের সর্বত্র এবং সে লেলিহান অগি্নশিখা নির্বাপণের জন্যই রাজার আবির্ভাব। সুদর্শনার ঘরে বাইরে তখন অগি্নর প্রজ্জ্বলন। রাজার ভয়ানক রূপ তার মর্মে বাঁধে। আবার সুবর্ণর দেহগত সৌন্দর্য তাকে টানে। নিজেকে অশুচি বোধ করে সে। রাজাকে গ্রহণে তার হৃদয়ের সাড়া থাকে উপেক্ষিত। কারণ তার রাজা তো_ ধূমকেতু সে আকাশে উঠেছে, সেই আকাশের মতোই কালো, ঝড়ের মেঘের মতো কালো, কূলশূন্য সমুদ্রের মতো কালো। সুদর্শনার প্রত্যাখ্যানে রাজার কোন দুঃখ থাকে না। যে কালোতে সুদর্শনার বুক কাঁপে, ভালবাসার শক্ত বাঁধনে সেই কালোতেই একদিন তার হৃদয়ের সি্নগ্ধতা আনবে, তারই প্রত্যাশায় রাজার প্রতীক্ষা। তাই তো তিনি বলতে পারেন_

আমি রূপে তোমায় ভোলাব না,

ভালবাসায় ভোলাব।

আমি হাত দিয়ে দ্বার খুলব না গো,

গান দিয়ে দ্বার খোলাব।

তবুও সুর্দশনা রাজাকে ত্যাগ করে পালিয়ে বাঁচার উপায় খোঁজে। আবার হৃদয়ের দ্বান্দ্বিকতা বলে_ রাজা তাকে বেঁধে রাখুক, শাস্তি দিক। রাজা তাকে বাঁধে না, ফিরিয়ে আনতে তার থাকে হিমাদ্রিতুল্য ঔদাসীন্য।

সুদর্শনা পালিয়ে বাঁচে না। পিতৃগৃহে আশ্রিতা সুদর্শনাকে পেতে অন্যরাজারা হয় লোভাতুর ও জিঘাংসী ও যুদ্ধংদেহী। তাদের প্রতি সুদর্শনার ঘৃণা তীব্রতর হয়। এমন দুঃখের রাতে তার মনে হয়_ কোথায় যেন রাজার বীণা বাজে। গোপন রাতে সেই বীণার সুর কেবল তার হৃদয়কেই নাড়া দেয়। সে তার অন্ধকার ঘরের আবদ্ধ দরজায় বীণার ধ্বনি শোনে। সে ধ্বনি কালো, মনোহর ও সুন্দরতম হয়ে রাজা হয়। তখন সুদর্শনা তার সকল বাসনা, ইচ্ছা, বিকৃতি, এবং আমিত্ব বিসর্জন দিয়ে তার প্রিয়, শ্রেয় ও অন্ধকারের পরমের কাছে একান্ত সমর্পণের জন্য হয় নিবেদিকা।

কাহ্নকুজ্ঝর এই দুঃসময়ে রাজার আবির্ভাব। তার আবির্ভাবেই প্রায় সকলেরই পরাজয় বরণ। সুদর্শনার ইচ্ছা জাগে_ কোন পাওয়া নয়, চাওয়া নয়, কেবল গভীরভাবে তার মধ্যে সমর্পণ। আবার অহং তাকে বলে রাজা তাকে নিয়ে যাবে। রূপের গর্ব, গুণের প্রসংশা, তার প্রতি রাজার অন্তহীন অনুগ্রহ- এ সবই তাকে অভিমানী করে তার হৃদয়ে লজ্জা জোগায়। অভিমান না ঘুচলে লজ্জা থাকে। নিজেকে নিবেদনের ইচ্ছেতে আড়ষ্টতা আসে। অবশেষে হার মেনেই তার মুক্তি। করুন সুরে রাজার বীণা বাজে। সুদর্শনা কানপেতে সে বীণার সুর শোনে। আত্মসমর্পণের মধ্যে সুদর্শনার গর্ব। এ পথে পৌঁছাতে কতো বন্ধুর পথই তাকে ভাঙতে হয়েছে। কতো অনুতাপ ও বেদনার আগুনে পরিশুদ্ধ হয়ে, সকল অহংকারকে ভাগিয়ে দিয়ে তবেইতো সুদর্শনার মুক্তি। ছোট 'আমি'র কামনা বাসনা থেকে মুক্তিই তার বড় 'আমিতে পৌঁছানো। সেই বড় 'আমি'তে পৌঁছে সুদর্শনা রাজার চাওয়া পাওয়ার মধ্যে একাকার হয়:

আমার মধ্যে তোমার প্রেম আছে, সেই প্রেমেই তোমার ছায়া পড়ে, সেইখানেই তুমি আপনার রূপ আপনি দেখতে পাও। সে আমার কিছু নয়, সে তোমার।

রাজা খুলে দেয় তার অন্ধকারের দ্বার। অন্ধকারের আর কোন প্রয়োজন থাকে না। বহিরাত্মা ও অন্তরাত্মা মিলে মিশে একাকার। জগত এবার আলোয় আলোয় হয় আলোময়। তবুও অন্ধকারের প্রতি সুদর্শনার নিদারুন স্বীকৃতি : যাবার আগে আমার অন্ধকারের প্রভুকে, আমার নিষ্ঠুরকে, আমার ভয়ানককে প্রণাম করে নিই।

তেরো

বুদ্ধের জাতক সাহিত্যের দিব্যবদানমালা গ্রন্থের অন্তর্গত শার্দুলকর্ণাবদাম কাহিনীকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ ১৯৩৩-এ নাটিকা আকারে প্রকাশ করেন চ-ালিকা। অতঃপর ১৯৩৮ সালে তাকে নৃত্যনাট্যে রূপ দেন। মূল কাহিনীর বর্ণনায় আছে_ একদা তথাগত বুদ্ধ অনাথপিন্ডদের উদ্যানে অবস্থান করছেন। তার প্রিয় শিষ্য আনন্দ তখন কোন এক গৃহীর বাড়িতে আহারাদি শেষে বিহারে ফিরবার প্রাক্কালে তৃষ্ণার্ত হলেন। পথিমধ্যে দেখলেন_ প্রকৃতি নামীয় এক চন্ডালকন্যা কুয়ো থেকে জল তোলে। তৃষ্ণার্ত বুদ্ধশিষ্য আনন্দ চন্ডালকন্যা প্রকৃতির কাছে জল প্রার্থনা করেন। বিস্মিতা প্রকৃতি জানায়_ সেতো চন্ডালকন্যা। আনন্দর সহজ প্রকাশ_ জাতের পরিচয় তার কাছে অগ্রহণীয়। সে শুধু তৃষ্ণার জল চায়। প্রকৃতি তাকে গ-ুষ ভরে জল দেয়। সে জলে তার তৃষ্ণা মেটে। কিন্তু শ্রমন আনন্দের গৌরকান্তি ও জ্যোতির্ময় রূপপ্রভায় প্রকৃতির হৃদয়মধ্যে জ্বলে অনির্বাপিত অগি্নর দহন এবং সে দহনে তার শুষ্ক মরুপ্রায় হৃদয়ে শুধু তৃষ্ণা বাড়ে।

প্রকৃতি মন্ত্রতন্ত্রে বিদ্যাধরী তার মাকে জানালো_ বশীকরণ মন্ত্রে সে আনন্দকে বশে এনে পেতে চায়। শ্রমন আনন্দকে স্বামীরূপে পাওয়া তার মরণপন প্রতিজ্ঞা। অবশেষে অনন্যোপায় মা কন্যার সন্তুষ্টিতে বেদীপরে অগি্ন প্রজ্জ্বলন করে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানাদি ক্রিয়াকর্ম পালনের মন্ত্র উচ্চারণে শ্রমন আনন্দকে আকর্ষন করে টেনে আনেন প্রকৃতির কাছে। প্রকৃতি হৃষ্টচিত্তে ও শরীর মনের জমানো সঞ্চয়কে সমর্পণের বাসনায় শয্যা নির্মাণ করে। এর মধ্যে আনন্দর আত্মশ্লাঘা জাগে_ নিজের এই বিকারগ্রস্ততার মোহান্ধতায় তার সমর্পণে মুক্তির পথ চিরতরের জন্য রুদ্ধ হবে। ভগবান বুদ্ধের করুণা বঞ্চিতর হতাশায় তিনি হন অশ্রুশিক্ত। আনন্দর হৃদয়াশ্রুর মর্মব্যথা অন্তর্যামী বুদ্ধ তার অন্তরাত্মার অনুভবে বোঝেন এবং সর্বলোক প্রভাবিত মহাশক্তিশালী মন্ত্রপড়ে প্রিয়শিষ্য আনব্দকে ফিরিয়ে আনেন। আনন্দের ফিরে যাওয়ায় প্রকৃতি আশার বিনাশে হয় আত্মদগ্ধ ও যন্ত্রণাকাতর। তবুও সে আনন্দকে ছাড়ে না। তাকে পাওয়ার আশায় ছায়ার মতোই তার প্রাণান্তিক অনুসরণ। অতঃপর শিষ্যকে রক্ষাকল্পে বুদ্ধই প্রকৃতিকে দীক্ষা দেন বৌদ্ধধর্মে। পরিয়ে দেন ভিক্ষুণীর বেশ। আত্মশুদ্ধির শুদ্ধতায় সে তখন আনন্দের পাশে থাকে নির্মোহরূপে। চারটি আর্যসত্যর উপলব্ধিতে সে হয় সম্যকজ্ঞানে জ্ঞানী, মোহযুক্ত বাসনায় আসক্তিহীন ও বুদ্ধের করুণায় আশ্রিত।

মূল কাহিনীর সাথে মিল অমিলের বিচারে রবীন্দ্রনাথের 'চন্ডালিকা'য় মিলই মুখ্য। মূল কাহিনীর সাথে কবি কল্পনা, অনুভব, ব্রাহ্মণ্যবাদ তাড়িত বৈদিক সমাজচিত্র, কবিহৃদয়ের রঙিন স্পর্শ, চিন্তার মৌলিকত্ব ও হৃদয়ে হৃদয়ে সঞ্চালনের প্রবাহমানতায় নাটকটি হয়েছে প্রাণরসে পূর্ণ, মৌলিক ও সর্বজনীন।

চন্ডালকন্যা প্রকৃতি। প্রকৃতির নির্যাসে তার দেহ নির্মাণ। হৃদয়ে তার বসন্তের সৌরভ। সূর্যের উত্তাপে সে দীপ্যমান, বর্ষার কালো মেঘের কোলে তার আশ্রয়, বৃষ্টির জলধারায় তার হৃদয়বারি মুক্ত হরিণীর মতো দিকভ্রান্তের মতো ছোটে, শরতের শিশির পতনের নিঃশব্দ শোনে প্রকৃতির অন্তরাত্মা। তবুও বৈদিক বিধানমতে তার জন্ম হয়েছে কোন এক বিশালপুরুষের পা হতে। প্রকৃতি চন্ডাল, তাই ব্রাহ্মণশাস্ত্র মতো তার জন্ম হয়তো পা এর কোন তুচ্ছ অংশ হতে। মুখ, দুবাহু ও উরু ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যের দখলে। তবুও প্রকৃতি মন হতে চন্দ্রকে দেখে, চোখে থাকে সূর্যের দীপ্তি, প্রাণে পায় বায়ুর স্পর্শ, নাভি হতে আকাশের অনুভূতি, কর্ণ হতে পৃথিবীর পরশ ও দু'চরণে সে ভূমির উপরে দাঁড়িয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়।

নিঝুম দুপুরে সূর্য যখন মধ্যগগনে মস্তকপরে দিব্যমান, তখনই চ-ালকন্যার বাইরে বেরোনো। হয়তো কোন তৃষ্ণার্ত পথিক তারই প্রত্যাশায় জলের অপেক্ষায় ছিল। মা মরা বছুরটাকে নাওয়াচ্ছিল কুয়োর জলে। অকস্মাৎ অলক্ষ্যে সৌম্যদর্শন পীত বসন পরিহিত কোন এক দেবদূতের আকাশবর্ষী বাণী তার অন্তরাত্মায় গভীর থেকে গভীরতর হয়ে প্রতিধ্বনিত হলো_ 'জল দাও'! বিস্ময়ে বিমূঢ় চেতনা অবসন্ন চ-ালকন্যা প্রকৃতির চমকিত শিহরণে থাকে বিস্ময়তা ও অবিশ্বাস্যতা। প্রদোষের আলোর রূপে গড়া সে দেবদূতের দেহ তার সম্মুখে। দ্বিধা সংকোচে দূর থেকে তাকে প্রণাম করে প্রকৃতি। তৃষ্ণার্ত পথিকের প্রার্থনা 'জল দাও, জল দাও'। প্রকৃতি তো ভুলেই ছিল সে মানুষ। ফুল কিনতে গেলে ফুলের দোকানীও তাকে ঘৃণা করে দূরে রাখে। সমবয়সী উচ্চবর্ণের প্রতিবেশীরা তাকে অমানুষ ভেবে স্পর্শাতীত করে। দইওয়ালী কাকনওয়ালীকে সাবধান করে দেয়_

ওকে ছুঁয়ো না, ছুঁয়োনো ছি, ও যে চন্ডালিনীর ঝি।

পদে পদে অবহেলিতা, বঞ্চিতা ও অপমানিতা সে তেজস্বিনী বিদ্রোহী হয় ব্রাহ্মন্যবাদের অধীনস্থ ঈশ্বরতন্ত্রের বিরুদ্ধে:

যে আমারে পাঠাল এই অপমানের অন্ধকারে

পূজিব না, পূজিব না পূজিব না সেই দেবতারে

পূজিব না।

যুক্তি ও ন্যায়ের বিচারে তার বিদ্রোহ গ্রহণযোগ্য। ঈশ্বর তার সৎ ও মহৎ গুণের অভাবে ক্ষুদ্রাংশের কাছেই পূজ্য, সর্বজনীন নহে। তার এ সর্বজনীনতার পক্ষপাত-দুষ্টতায় প্রকৃতিরা তাকে দেখে অভক্তি ও অপ্রেমে। তিনি তো তার কাছে কোন মঙ্গলময় প্রভু নয়, শক্তির কঠোরতায় তারা সকলে তার পরাভব মানে। তাই এমনি আবদ্ধতার শৃংখলমোচনে সে ছিল কোন দেবদূতের পুণ্যআহবানের অপেক্ষায়। খাঁচার জীবনের অভ্যস্থতায় প্রকৃতি জানে তার কুয়োর জল চন্ডালের অস্পৃশ্যতায় অশুদ্ধ। বৌদ্ধ ভিক্ষু আনন্দ জাত-পাত, অশুচি-অস্পৃশ্যতার সকল অহংকারকে দূরে সরিয়ে চন্ডালিনীর কাছে তার একমাত্র প্রার্থনা কয়েক গন্ডুষ জলের 'জল দাও'। চন্ডালিনীর শৃংখলে বাঁধা মন শৃংখলের বাঁধন খুলতে দ্বিধা থাকে। আনন্দর আহ্বানে থাকে; শ্রাবণের মেঘকে চন্ডাল নাম দিলেই বা কী, তাতে তার জাত বদলায় না, তার জলের ঘোচে না গুণ। নিন্দে করো না নিজেকে। আত্মনিন্দা পাপ, আত্মহত্যার চেয়ে বেশি।

Additional Info

  • Image: Image