২৫৬২ বুদ্ধাব্দ ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ইংরেজী
Clear

19°C

Chittagong

Clear

Humidity: 91%

Wind: 11.27 km/h

  • 26 Feb 2018

    Sunny 32°C 17°C

  • 27 Feb 2018

    Sunny 31°C 17°C

  • সেই খানেরই গলদ, যেখানে সততা নেই। টাকা পয়সার দিকে নজর দিলে কাজের নেশা নষ্ঠ হয়ে যায়। টাকা পয়সা বড় কথা নয়, কাজ চাই।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

  • আমাদের সমাজে যে এখনো কোন বড় কোন প্রতিভার জন্ম সম্ভব হচ্ছে না, তার কারণ পরশ্রীকাতরতা। আমরা গুণের কদর করি খুব কম। কিন্তু মন্দটাকে সগর্বে প্রচার করে বেড়াতে পারি।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • যুদ্ধ সভ্যতাকে ধ্বংস করে এবং শান্তি বিশ্বকে সুন্দর করে । যুদ্ধ মানুষকে অমানুষ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ ছিনিয়ে নেয় প্রেম-ভালবাসা এবং যুদ্ধের আগুনে আত্নহুতি দিতে হয় বহু প্রাণের । যুদ্ধকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা উচিৎ।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • আপনি যেমন মহৎ চিন্তা করেন কাজেও সেইরুপ হউন, আপনার কথাকে কাজের সাথে এবং কাজকে কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলুন।
    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

বাংলাদেশে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের সুলুক সন্ধান

শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৬ ০২:১৮ এ কে এম শাহনাওয়াজ

বাংলাদেশে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের সুলুক সন্ধান

বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্মের প্রথম প্রবেশ ঘটে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে। এ সময় মৌর্য সম্রাট মহামতি অশোক উত্তর বাংলা দখল করে একটি প্রদেশ বা ভুক্তিতে পরিণত করেন। এই পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। আজকের মহাস্থানগড়। এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখননের মাধ্যমে সে যুগের বৌদ্ধ নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম প্রবলভাবে বিকাশ লাভ করে খ্রিষ্টীয় আট শতক থেকে। এ সময় বাংলা দক্ষিণ-পূর্ব অংশ ছাড়া বাকি অঞ্চল পাল রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ। তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় ১১ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিস্তার ঘটেছিল এ দেশে। একই যুগপর্বে দেবপর্বতকে ঘিরে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব, চন্দ্র, খড়গ প্রভৃতি রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই রাজারাও ছিলেন বৌদ্ধধর্মাশ্রয়ী। ফলে বলা যায়, আট শতক থেকে এগারো শতক পর্যন্ত পুরো বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির ব্যাপক বিস্তার ঘটে।

প্রাচীন বাংলায় শিক্ষা ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে বৌদ্ধ ঐতিহ্য সবচেয়ে উজ্জ্বল। কিন্তু প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রকাশনা না থাকায় বাংলাদেশের বৌদ্ধ ঐতিহ্য সম্পর্কে সহজে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় না। এই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে বুড্ডিস্ট হেরিটেজ অব বাংলাদেশ নামে ইংরেজি ভাষায় একটি দৃষ্টিনন্দন বৃহদাকার বই প্রকাশিত হয়েছে। এখানে ভূমিকাসহ ১৭টি মূল্যবান প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। এই প্রবন্ধগুলোর লেখক তালিকায় নবীন গবেষক থেকে শুরু করে অনেক প্রাজ্ঞ গবেষক শিক্ষকও রয়েছেন। বইটি সম্পাদনা করেছেন প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা ও অধ্যাপনায় নিবেদিত বুলবুল আহমেদ। প্রবন্ধগুলোর শিরোনাম থেকে আঁচ করা যায় এর বিষয়বৈচিত্র্য সম্পর্কে। শিরোনামগুলো হচ্ছে: Inscriptional Records, Seals and Sealings, Pilgrim accounts, Ancient Sites and Settlements, Architectural Features, Terracotta Ornamentation, Theological Advent and Evolution, Iconographical Survivals, Bells, Symbolic and Iconic Representations on coins, Poems and Songs, Manuscript Paintings, Drama, Personalities and scholars, Recent Discoveries, Mainamati: A Parallel to Nalanda.

বুড্ডিস্ট হেরিটেজ অব বাংলাদেশ
সম্পাদক: বুলবুল আহমেদ
নিমফিয়া পাবলিকেশন, ঢাকা
আগস্ট ২০১৫
৩৪০ পৃষ্ঠা
দাম: ৪০০০ টাকা।

গ্রন্থবদ্ধ সব প্রবন্ধই যে খুব মানসম্মত, তেমন দাবি করা যাবে না। তবু সার্বিক বিবেচনায় বইটি নিঃসন্দেহে একটি মূল্যবান উপস্থাপনা। কারণ, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা এই বই আদ্যোপান্ত পাঠ করলে বাংলাদেশের বৌদ্ধ ঐতিহ্য সম্পর্কে একটি ধারণা লাভ করা যায়।

প্রবন্ধগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গে প্রতিনিধিত্বশীল ছবি ব্যবহার করে এ ধারার গ্রন্থকে পূর্ণতা দেওয়ার চেষ্টা আছে। বইটির সম্পাদকের বিশেষ কৃতিত্ব এখানেই যে তিনি বাংলাদেশে বৌদ্ধ সংস্কৃতির ইতিহাস-ঐতিহ্যকে পাঠক ও গবেষকদের সামনে স্পষ্ট করার জন্য অত্যন্ত মুনশিয়ানার সঙ্গে বিষয় নির্বাচন করতে পেরেছেন। ফলে প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র যেমন শিলালিপি, মুদ্রা, ভাস্কর্য, পোড়ামাটির অলংকরণ, পাণ্ডুলিপি অলংকরণ, অন্যান্য প্রত্নবস্তু, স্থাপত্য, বৌদ্ধ সংস্কৃতির ধারক প্রত্নস্থল ইত্যাদি জায়গা করে নিয়েছে। এ ছাড়া আছে সমকালীন ধর্মচিন্তার বিকাশ, ধর্মযাত্রীদের লেখা বিবরণ, বৌদ্ধ পণ্ডিতদের পরিচয়, বিষয়-সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ইত্যাদি। তবে আমি মনে করি, পাঠককে ধারাবাহিকতার মধ্যে রেখে ধারণার পূর্ণতা দিতে গ্রন্থ প্রবন্ধ পরিবেশনার ক্রম নির্ধারণে আরেকটু মনোযোগী হওয়ার অবকাশ ছিল। যেমন শুরুটি হতে পারত ‘Theological Advent And Evolution’ প্রবন্ধটি দিয়ে। ফলে ধর্মচিন্তার বিকাশ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা তৈরি হতে পারত। এরপরে গোটা ধারণা প্রামাণ্য করার জন্য প্রত্নসূত্র-সংশ্লিষ্ট প্রবন্ধগুলো বিষয়ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করা যেত। শেষ ধাপে এসে দ্বিতীয় পর্যায়ের সূত্র-সংশ্লিষ্ট প্রবন্ধগুলো উপস্থাপিত হলে পাঠক ধাপে ধাপে সামগ্রিক ধারণা স্বচ্ছ করতে পারতেন।

আমার মনে হয়েছে, প্রতি প্রবন্ধের শেষে ছোট ফন্টে লেখকের নাম যুক্ত করায় লেখকরা কিছুটা অপ্রধান হয়ে গেছেন। যদিও আজকাল বিদেশি কোনো কোনো বইতে এমন রীতি গ্রহণ করতে দেখা যায়, তবে আমার মনে হয়েছে, এই গ্রন্থ প্রবন্ধের শিরোনামের পরেই লেখকের নাম থাকলে ভালো হতো। না হলে বইটির ধরন নিয়ে প্রাথমিকভাবে পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারেন। এটি সংকলিত না মৌলিক গ্রন্থ, এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
একই সমস্যা তৈরি হয়েছে বইটির সুদৃশ্য প্রচ্ছদে। এখানে বইয়ের নামের নিচে সম্পাদকের নাম ব্যবহার না করায় প্রাথমিকভাবে বইটির চরিত্র নিয়ে পাঠক বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। কেউ যদি একে বৌদ্ধ ঐতিহ্য-সংক্রান্ত ছবির অ্যালবাম ভাবেন তো পাঠককে দোষ দেওয়া যাবে না। বইয়ের আকৃতিও একে সমর্থন দেবে। এই প্রশ্নগুলো উপেক্ষা করলে বুড্ডিস্ট হেরিটেজ অব বাংলাদেশ গ্রন্থটি এর বৈচিত্র্যময় প্রবন্ধসমূহ, প্রকাশনার আঙ্গিক সৌষ্ঠব, প্রকাশনা মান ইত্যাদির বিচারে এ ধারার বইয়ের জগতে একটি মূল্যবান সংযোজন বলে মনে করি।

সৌজন্যেঃ দৈনিক প্রথম আলো।

Nirvana Peace Foundation

নির্বাণা কার্যক্রম
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্নশিশু কিশোরদের… ( বিস্তারিত )
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন শিশু কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা… ( বিস্তারিত )
Image
পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের… ( বিস্তারিত )
আরও
সংবাদ সমীক্ষা
আরও