২৫৬১ বুদ্ধাব্দ ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ইংরেজী
Sunny

24°C

Chittagong

Sunny

Humidity: 68%

Wind: 11.27 km/h

  • 25 Nov 2017

    Sunny 27°C 16°C

  • 26 Nov 2017

    Mostly Sunny 27°C 15°C

  • সেই খানেরই গলদ, যেখানে সততা নেই। টাকা পয়সার দিকে নজর দিলে কাজের নেশা নষ্ঠ হয়ে যায়। টাকা পয়সা বড় কথা নয়, কাজ চাই।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

  • আমাদের সমাজে যে এখনো কোন বড় কোন প্রতিভার জন্ম সম্ভব হচ্ছে না, তার কারণ পরশ্রীকাতরতা। আমরা গুণের কদর করি খুব কম। কিন্তু মন্দটাকে সগর্বে প্রচার করে বেড়াতে পারি।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • যুদ্ধ সভ্যতাকে ধ্বংস করে এবং শান্তি বিশ্বকে সুন্দর করে । যুদ্ধ মানুষকে অমানুষ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ ছিনিয়ে নেয় প্রেম-ভালবাসা এবং যুদ্ধের আগুনে আত্নহুতি দিতে হয় বহু প্রাণের । যুদ্ধকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা উচিৎ।

    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের

  • আপনি যেমন মহৎ চিন্তা করেন কাজেও সেইরুপ হউন, আপনার কথাকে কাজের সাথে এবং কাজকে কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলুন।
    মহাসংঘনায়ক শ্রীসদ্ধর্মভাণক বিশুদ্ধানন্দ

ভারততত্ত্ববিদ আচার্য ড. বেণীমাধব বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ : একটি মননশীল সৃষ্টিসম্ভার

শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৫ ০৩:৫২ ড. সুভাষ চন্দ্র সাহা

ভারততত্ত্ববিদ আচার্য ড. বেণীমাধব বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ : একটি মননশীল সৃষ্টিসম্ভার

ড. বেণীমাধব বড়ুয়া (১৮৮৮-১৯৪৮) একজন ক্ষণজন্মা অধ্যাপক পণ্ডিত, উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জন্ম হলেও ওনার পাণ্ডিত্যের প্রভাব ও আবেদন কালজয়ী। প্রধানতঃ বুদ্ধচর্চা ওনার মূল বিষয় হলেও ড. বেণীমাধব বড়ুয়ার গবেষণার পরিধি সীমাহীন। ইতিহাস, সাহিত্য, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব, ভাষাবিজ্ঞান সমস্ত বিষয়েই উনি ছিলেন পারদর্শী ও পারঙ্গম। ওনার এই বিশাল পাণ্ডিত্য আন্তরিকতা, মানবিকতা ও কবিসুলভ জীবনদর্শন দ্বারা ঋদ্ধ। যার ফলে তাঁর রচনা তাঁর বিজ্ঞানমনস্ক ক্ষুরধার বিশ্লেষণ শৈলীর দ্বারা দীপ্ত অথচ তাঁর সর্বাঙ্গীণ দৃষ্টিভঙ্গীর দিক থেকে উদার ও অপার। ড. বড়ুয়ার রচনা পাঠ করে পাঠকের মন ব্যাপকতর হয়, বুদ্ধি ঋজু হয় ও চেতনা এক উন্নতলোকে উত্তীর্ণ হয়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের প্রফেসর ও প্রধান ছিলেন তিনি। তাঁর স্নেহবৎসল ব্যক্তিত্ব তাঁর অপরিসীম ছাত্রবাৎসল্যের মাধ্যমে স্ফুরিত হয়েছে। ওনার লেখা ও ওনার সম্বন্ধে লেখা পড়ার সময় আমাদের হৃদয় আশ্চর্য্যজনকভাবে অভিভূত হয়ে পড়ে। একাধারে এতগুণের সমাবেশ কিভাবে হল এই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে মনে আসে। অথচ মানুষটি কী সরল সাদাসিধে জীবন যাপন করেছেন। তিনি নিরহঙ্কার এবং নিজের জীবনে বুদ্ধের অনুশাসনগুলি প্রতিনিয়ত অনুশীলন করেছেন এবং নিজেকে সর্বদা প্রকৃত মানুষ করার প্রচেষ্টায় নিজের জীবনকে নিয়োজিত করেছেন। এত উচু মাপের মানুষকে আমরা কী করে ভুলে গেলাম।
অধ্যাপক শিমুল বড়ুয়া সম্পাদিত ‘ভারততত্ত্ববিদ আচার্য ড. বেণীমাধব বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ’ আমাদের আবার স্মরণ করিয়ে দিল ড. বড়ুয়ার কালোত্তীর্ণ প্রতিভা, পাণ্ডিত্য ও মানবতা। গ্রন্থটি ড. বড়ুয়াকে আমাদের অনেক কাছে নিয়ে এসেছে। বিভিন্ন রচনার মাধ্যমে সম্পাদক মহাশয় আমাদের নিয়ে গিয়েছেন বেণীমাধবের পাণ্ডিত্য, মনস্বীতা ও মনের উদারতার অন্দর মহলে। শিমুল বড়ুয়ার কাছে আমরা তাঁর এই গ্রন্থ সম্পাদনার জন্য চিরকৃতজ্ঞ থাকব। একই সাথে গ্রন্থটির প্রকাশক বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা অনিরুদ্ধ বড়ুয়া অনি মেমোরিয়াল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান লায়ন রূপম কিশোর বড়ুয়া মহোদয় ধন্যবাদার্হ। বেণীমাধবের জীবনের নানাদিক সম্পাদক ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁর বিভিন্ন লেখকের রচনার মাধ্যমে। সেগুলির সংকলন সম্পাদক মহাশয় অত্যন্ত নিপুণভাবে করেছেন, বিষয়বস্তুর প্রতি ওনার আন্তরিক শ্রদ্ধার ফলেই গ্রন্থটির আবেদন হয়ে উঠেছে অতুলনীয়।
৪১৬ পৃষ্ঠার বইটি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। যথাণ্ডশ্রদ্ধাঞ্জলি, সারস্বতকর্মের মূল্যায়ন, জীবন ও সমাজকর্মের মূল্যায়ন, স্মৃতিকথা, পরিবারের স্মৃতিতে, নিবেদিত কাব্য, সাক্ষাৎকার, ড. বড়ুয়ার লেখা থেকে মুদ্রণ ড. বড়ুয়ার কয়েকটি চিঠি, দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়, ড. বড়ুয়ার প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রবন্ধের তালিকা, ড. বড়ুয়ার কালানুক্রমিক সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি ও জীবনছবি। প্রত্যেকটি বিভাগেই অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক প্রবন্ধাদি বেণীমাধবের জীবনের বিভিন্ন দিকের উপর অসামান্য আলোকপাত করেছে। প্রত্যেকটি প্রবন্ধই তথ্যপূর্ণ ও সংবেদনশীল। যার ফলে বইটি পুরোপুরি হয়ে উঠেছে সুখপাঠ্য। বেণীমাধবের জীবন ও কৃতিত্বের উপর এমন একটি গ্রন্থের প্রয়োজন ছিল। এই বইটি পড়ার পর বেণীমাধবকে ভোলা অত্যন্ত কঠিন। তাঁর জীবন ও রচনাবলি সম্বন্ধে পাঠকের উৎসক্য বাড়িয়ে তোলে গ্রন্থটি। বেণীমাধবের মূল রচনাগুলি দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় তাঁর প্রায় সব প্রধান বইগুলোর বিশদ আলোচনা হয়েছে বিভিন্ন প্রবন্ধে। এইভাবে আজকের পাঠক ও পাঠিকার বেণীমাধবের রচনার সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠবেন। হয়তঃ এই গ্রন্থখানিই প্রকাশককে উদ্বুদ্ধ করবে বেণীমাধবের সমগ্র রচনাবলি পুনর্মুদ্রণের জন্য।
শিমুল বড়ুয়া তাঁর সুচিন্তিত সম্পাদকীয়তে বেণীমাধবের বহুমুখী প্রতিভার ওপর আলোকপাত করেন ও পাঠকদের প্রস্তুত করেন পরবর্তী প্রবন্ধগুলির জন্য।

‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’ বিভাগে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী, প্রবোধচন্দ্র সেন, শশিভূষণ দাসগুপ্ত, নলিনীনাথ দাশগুপ্ত, শৈলেন্দ্রনাথ মিত্র, সাতকড়ি মুখোপাধ্যায়, বিশুদ্ধানন্দ মহাথের ও এ.পি. বুদ্ধদত্ত।
‘সারস্বতকর্মের মূল্যায়ন’ বিভাগে প্রবন্ধ লিখেছেন আবুল মোমেন, শহিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান, আনন্দ ডব্লিউ পি গুরুগে, নলিনাক্ষ দত্ত, হেমচন্দ্র রায় চৌধুরী, মনিকুন্তলা হালদার (দে), তপনজ্যোতি বড়ুয়া, বন্দনা মুখার্জী, অঙ্কুর বড়ুয়া, রমেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও রাহুল মজুমদার।

প্রতিটি প্রবন্ধই এমন সুলিখিত যে একটিকে ছেড়ে অন্যটিকে নিয়ে লেখা অবিচার হবে। অন্যদিকে এতগুলি প্রবন্ধ আছে যে তাদের প্রত্যেকটিকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই গ্রন্থ-আলোচনা বিশাল হয়ে যাবে। তবে প্রত্যেকটি প্রবন্ধই পর্যালোচনা করতে পারলে সুবিচার হত।

‘জীবন ও সমাজকর্মের মূল্যায়ন’ বিভাগে লিখেছেন ডি পি বড়ুয়া, প্রণব কুমার বড়ুয়া, সুরেন্দ্রনাথ চক্রবর্ত্তী, হেমেন্দুবিকাশ চৌধুরী, চিন্ময় মুৎসুদ্দী, বরসম্বোধি ভিক্ষু, সত্যব্রত বড়ুয়া, সুমনপাল ভিক্ষু, অঞ্জলি রায় ও শিমুল বড়ুয়া। প্রতিটি প্রবন্ধই অমূল্য ও অসাধারণ।

‘স্মৃতিকথা’ বিভাগে লিখেছেন সুধা সেনগুপ্ত, রণধীর বড়ুয়া, শীলানন্দ ব্রহ্মচারী, শীলালঙ্কার মহাস্থবির, ধর্মপাল মহাথের ও মানবেন্দ্র বড়ুয়া। প্রতিটি স্মৃতিকথাতেই বেণীমাধবের চরিত্রের অনন্যসাধারণ-মানবিক দিকটা আলোচিত হয়েছে। শীলানন্দ ব্রহ্মচারী লিখেছেন : ‘তাঁর মত দয়ার্দ্র উদারহৃদয় সরল প্রকৃতির মানুষ জগতে বিরল। তাঁর হৃদয় যেন মৈত্রীকরুণার উপাদানে গঠিত।’ তবে বেশিরভাগ রচনাই জগজ্জ্যোতি বা অন্য গ্রন্থ থেকে পুনর্মুদ্রণ, নতুন লেখাও কম নয়।

‘পরিবারের স্মৃতিতে’ বিভাগে রয়েছে তাঁর বড় ছেলে বসুবন্ধু বড়ুয়ার ‘বাবাকে যেমন দেখেছি’ ও ছোট মেয়ে অনীতা পাকড়াশীর ‘আমার চোখে বাবা’। এই বিভাগটি গ্রন্থটিতে একটি মূল্যবান সংযোজন।
পরের বিভাগটি ‘নিবেদিত কাব্য’ একটি সমৃদ্ধ বিভাগ। এতে বেণীমাধব সম্পর্কে কবিতা লিখেছেন কালিদাস রায় কবিশেখর, সজনীকান্ত দাশ, কল্যাণ কুমার দাশগুপ্ত, তড়িৎ কুমার ঘোষ, শীলানন্দ ব্রহ্মচারী (পালি থেকে বাংলায় অনুবাদ: ঐশ্বর্য বিশ্বাস), হেরম্ব চট্টোপাধ্যায় শাস্ত্রী (সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ: জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায়) ও শিশির বড়ুয়া। কবিতাগুলির মধ্যে বেণীমাধবের প্রতি প্রত্যেক কবির অনিন্দ্য সুন্দর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।
‘সাক্ষাৎকার বিভাগ’ এ রয়েছে ড. বিনয়েন্দ্রনাথ চৌধুরীর সঙ্গে ড. সুমনপাল ভিক্ষুর একটি মনোজ্ঞ সাক্ষাৎকার। এখানে বেণীমাধব সম্বন্ধে অনেক নতুন তথ্য পাওয়া যায়। ড. বিনয়েন্দ্রনাথ চৌধুরী বলেনণ্ড ‘এত উচ্চ মানের মানুষ আমি আর দেখিনি।’

‘ড. বড়ুয়ার লেখা থেকে মুদ্রণ’ বিভাগে পুনর্মুদ্রিত হয়েছে ওনার তিনটি মূল্যবান রচনা, ‘বাংলাসাহিত্যে শতবর্ষের বৌদ্ধ অবদান’, ‘বৌদ্ধ দর্শনের ঐতিহাসিক তত্ত্ব’ ও ‘অভিভাষণ’। এই বিভাগ থেকে আজকের পাঠক-পাঠিকারা বেণীমাধবের মনন ও রচনা শৈলীর সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।
গ্রন্থটির মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকাংশে ‘ড. বড়ুয়ার কয়েকটি চিঠি’ বিভাগে মুদ্রিত ড. বড়ুয়ার লেখা কয়েকটি চিঠি। তাঁর মেয়েকে লেখা চিঠি তাঁর হস্তাক্ষরেই মুদ্রিত হয়েছে। অকাল প্রয়াত কবি দিদারুল আলমকে লেখা চিঠিটি বড়ই দুর্লভ।

শেষের তিনটি বিভাগ ‘দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়’, ‘ড. বড়ুয়ার প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রবন্ধের তালিকা’ ও ‘ড. বড়ুয়ার কালানুক্রমিক সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি’ গ্রন্থটিকে একটি মূল্যবান আকরগ্রন্থে পরিণত করেছে। বইটিতে ছাপানো হয়েছে কতগুলি বিরল ছবি-এটা অবশ্যই আমাদের উপরি পাওনা।

গ্রন্থটির প্রকাশ অত্যন্ত সময়োচিত। পালিভাষা ও বুদ্ধচর্চার যে ট্রাডিশন বাংলা ভূখণ্ডে তৈরী হয়েছে তার ভিত্তি স্থাপনাকারী হলেন পণ্ডিতপ্রবর ড. বড়ুয়া। তাঁর অসামান্য গবেষণাকর্ম নতুন পথের দিশা দেখিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ যে ড. বড়ুয়ার জন্মশতবর্ষ বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভার উদ্যোগে মহাসমারোহে উদ্‌যাপিত হয় এবং হেমেন্দুবিকাশ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় এক তথ্য সমৃদ্ধ জন্মশতবর্ষ স্মারকগ্রন্থ। গত ২০১২ সালেও সভা থেকে প্রকাশিত হয় ড. বেণীমাধব বড়ুয়ার নির্বাচিত রচনাবলি, হেমেন্দু বিকাশ চৌধুরীর সম্পাদনায়। এছাড়াও সভার উদ্যোগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ড. বড়ুয়ার আবক্ষ মূর্তি, প্রবর্তিত হয়েছে স্মারক পুরস্কার ও স্মারক বক্তৃতা। বাংলাদেশে বাংলা একাডেমী ঢাকা প্রকাশ করেছে তাঁর জীবনী গ্রন্থ, অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী চট্টগ্রাম প্রবর্তন করেছে স্মারক বক্তৃতা, জন্ম স্থান মহামুনি পাহাড়তলী গ্রামে স্থাপন করা হয়েছে আবক্ষমূর্তি। ১২৫তম জন্মবর্ষে প্রকাশ করেছে স্মারকগ্রন্থ। তাঁর প্রতি সমস্ত বাঙালির ঋণ এই উদ্যোগে খানিকাংশে লাঘব করেছে। রবীন্দ্রনাথ ও অমর্ত্য সেনের মত বেণীমাধব বড়ুয়া বাংলার দুই পারেরই অনন্য মননসম্পদ। আধুনিক বর্তমানে ও ভবিষ্যতের প্রজন্মের মনস্বিতা ও মনীষার উন্নতিকল্পে ড. বেণীমাধব বড়ুয়ার মননশীল সৃষ্টিকর্মসম্ভার উপযুক্তভাবে সংরক্ষণ করা ও ব্যাপক চর্চা করা আমাদের সকলের কাছেই একটি অপরিহার্য মূল্যবান কর্ম।
ভারততত্ত্ববিদ আচার্য ড. বেণীমাধব বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ / সম্পাদক : শিমুল বড়ুয়া,/ জুন ২০১৪/ প্রচ্ছদ: দীপক দত্ত/ প্রকাশক : লায়ন রূপম কিশোর বড়ুয়া, চেয়ারম্যান, অনিরুদ্ধ বড়ুয়া অনি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, মহামুনি পাহাড়তলী। রাউজান। চট্টগ্রাম।/ দাম : ৩০০ টাকা

Nirvana Peace Foundation

নির্বাণা কার্যক্রম
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সম্পন্নশিশু কিশোরদের… ( বিস্তারিত )
Image
নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন নির্বাণা পিস ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী আয়োজন শিশু কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা… ( বিস্তারিত )
Image
পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান পূর্ব আধারমানিক মানিক বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক অনুদানের… ( বিস্তারিত )
আরও
সংবাদ সমীক্ষা
Image
সাহিত্যিক সাংবাদিক বিমলেন্দু বড়ুয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী ২২ জানুয়ারি সাহিত্যিক সাংবাদিক বিমলেন্দু বড়ুয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী ২২… ( বিস্তারিত )
আরও